Directorate of Comedy, Government of India

Generic Politician to Kunal Kamra : “Concentrate on your comedy, son… Who’s stopping you ? Why are you interfering in politics ? Leave the politics to us.”

Kunal Kamra : “That’s what I did, Sir… but then you’re the one who started doing comedy…”

I’ve said it many times; the affairs of our current government has made me angry, made me afraid… with the politics of hate and their mindless work and agendas, it made me cringe, even.

But, more times than often, It felt like comedic genius.

In my college last year, in a programme for which I did stand-up comedy, I said that our current prime minister paved the way for all upcoming comedians, because his stand up special named “Acche Din”, is running for 5+ years.

In Prime Minister Modi’s first term, we saw comedic geniuses like Subramaniyam Swamy, Yogi Adityanath and more, and of course, tha “Supreme Leader” himself. But after getting elected for the second term, In a matter of month, he and his cabinet minsters have really outdone themselves.

Last year, I said how the “Statue of Unity” is a colossal waste of money, and bhakts/chaddis argued with me about tourist spot, foreign currencies and jobs. Now, there is a limit on IQ for becoming a bhakt/chaddi. And we can’t argue with stupid people. They are best at one thing, and that is ganging up on people (literally or digitally), to troll, beat or lynch. Now the thing is, news reports suggest that the “Statue of unity has failed to attract as many tourists as anticipated; and to attract more tourists, another statue of a Tyrannosaurus Rex is being made spending another 2 Crore Rupees.

Wait, What?

You’ve spent 3000 crores of Tax payers money to build a “National Monument”, the Highest statue in the world, and when tourists are not attracted to that, you think another dinosaur statue will get the job done. Sure, a Dinosaur does symbolize the policies and mentalities of BJP leaders and ministers; but with this strategy, in another term, we will have a garden of statues and no tourist.

Statue of India Economy

And, last week, that half-completed statue went down in storm.

Even dinosaurs are refusing to Stand for the Modi Government.

Now, let’s talk about Nirmala Tai. Our Minister of Finance Mrs. Nirmala Sitharaman…

Not kidding, go to google and type her name, and the first suggestion that google will provide is “nirmala sitharaman education”. Because people are curious. It is a job of Government and Political Parties to shift the blames to opposition, and others, but on her last press conference she went on and blamed the millennials for reduced number of sold cars…

Wait, What ?

When millennials are chugging on anti-depressants because of the economic crisis you’ve brought and total number of jobs reduced drastically. And you blame then for crisis in automobile industry.

“Dil Cheez Kya Hain, Aap Meri, Ga**d Lijiye…”

But still, Millennials are OK; I mean for ages the youth have taken bashing from everybody. We are used to smiling, making jokes and moving past that.

But, Mr. Piyush Goyel went on and referenced Einstein in his futile attempt of defending Government policies, when facts suggests that we, the Largest Democracy in the world has lesser GDP than Pakistan and Bangladesh. He said number crunching is not everything, and whatever the facts might suggest; Indian Democracy was not at risk.

It was funny in it’s own accord, but then came the punchline; He claimed that “Mathematics never helped Einstein Discover Gravity”

Wait, What ?

First of all, the works by are sooo path breaking that a child might mistake and say everything is discovered by Einstein, just like we credit each and every motivational quote to Dr. A P J Abdul Kalaam.

No, it’s obvious Einstein did not discover gravity, but all the work he did, (Photo-electric effect, Theories of Relativity) can only be expressed by mathematics. Because Mathematics is, and always will be the language of theoretical physics.

So, the comedy continues. And even in this time of crisis, I can’t help but laugh at these incidents. And Like Varun Grover once said,

“Satire is the hardest thing to do in Today’s world. You write something today, and find out next day that has actually happened…”

So, the cabinet ministers are giving a healthy competition to the political satirists and comedians. We, Indians are great at doing someone else’s work while living my own unfinished. The only problem is elected officials spend their time doing stupid things, promoting stupid things and justifying stupid things is what weighing our country down.

Alas !

Peace (?)

Neel…

প্রতুলের ডায়েরী : দ্বিতীয় কিস্তি

এরকম Disturbing আর Lucid স্বপ্ন আর জীবনে দেখেছি বলে মনে হয় না… রবিবার দুপুরে শুয়ে বই পড়তে পড়তে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি জানি না, তখনই দেখলাম। সব কিছু পরিস্কার মনে আছে। ছোট, বড় সব ঘটনা… এক দুপুরে জীবনটা পালটে গেল যেন… দেখলাম, আমি মেট্রো করে যাচ্ছি, কিন্তু মেট্রোটা যাচ্ছে মাঠের মধ্যে দিয়ে, আর চারদিক খোলা… যেন হগওয়ার্টস এক্সপ্রেস… আর মাঠের চারপাশে উড়ে বেড়াচ্ছে বড় বড় খুব সুন্দর দেখতে পাখি… হঠাৎ, আমার এক সহযাত্রী একটা পাখি ধরে সেটার গলাটা মুচড়ে ছিঁড়ে ফেলল, কিন্তু দেখলাম, একফোঁটাও রক্ত পড়ল না…  লোকটি হাসি মুখে ছেঁড়া মুন্ডুটা হাতে ধরে রইল ট্রোফির মতন। আমি পাখিগুলোকে ভালো করে দেখব বলে নেমে পড়লাম ট্রেন থেকে। আর আমি নামার পড়ই ট্রেনটা প্রচন্ড জোরে ছুটতে আরম্ভ করল। আমি দৌড়েও আর ট্রেনটা ধরতে পারলাম না। তারপর কিভাবে আর কখন যে কলেজে এসে পৌছেছি, সেটা জানি না।

কলেজে পৌছে দেখলাম, আজ বোধহয় কলেজ ভিসিট করতে কিছু লোক এসেছে। একটা লোক, আর তার সাথে কিছু চ্যালা-চামুন্ডা। লোকটাকে দেখে বিজনেসম্যান বলে মনে হল। গোটা ডিপার্টমেন্ট ঘুরে লোকগুলো এইচ ও ডি-এর ঘরে ঢুকে গেল। কেন জানি না, আমিও পেছন পেছন ঢুকতে গেলাম, কিন্তু দরজার গোড়ায় দাঁড়ানো সিকিওরিটি গার্ডটা আমাকে একটা হাত দেখিয়ে আটকে দিল। লোকটার মুখের দিকে তাকিয়ে আমিও আর কোন কথা বলতে পারলাম না… আমি কলেজ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন দেখলাম, সিকিওরিটির চেয়ারে বসে, সিকিওরিটির টেবলে মাথা গুঁজে, ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে একটা মেয়ে কেঁদে চলেছে। আমি মেয়েটিকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলাম, যে তার কি হয়েছে ? মেয়েটি উত্তর দিল-

-“হাত দিয়েছে…” সে কথাটা বলার সাথে সাথে ইশারায় নিজের বুকের কাছটা দেখিয়ে দিল। আর কথাটা শুনে আমার যেন মাথায় রক্ত চড়ে গেল…

-“কে ? কে দিল ? কোথায় গেল সে ?”

-“জানি না… পেছন থেকে…” এইটুকু বলে আবার কান্নায় ভেঙ্গে পড়ল মেয়েটি;

-“তুমি কেঁদ না, আমি দেখছি, তুমি এখানেই থাকো…”

আমি ছুটে বিল্ডিং থেকে বেড়িয়ে গেলাম, অ্যাডমিন্সট্রেটিং ব্লক-এর উদ্দেশ্যে ছুটতে শুরু করলাম। অদ্ভূত ব্যাপার হল, প্রাণপণে ছুটেও আমি সেই বিল্ডিং-এ পৌছোতে পারলাম না। আমার চারপাশে কিন্তু লোকে লোকারণ্য, সবাই ছুটছে, খেলছে, হাসছে, চিৎকার করছে, কিন্তু কেউ যান আমাকে দেখতে পারছে না… পেছন ফিরে তাকাতে দেখলাম, আমি আমার কলেজ বিল্ডিং-এর দোড়গোড়াতেই দাঁড়িয়ে আছি। সেটা দিয়ে আবার ভেতরে ঢুকতেই,  দেখতে পেলাম, মেয়েটি সহ টেবিলটি উধাও হয়েছে, আর তার জায়গায় পাতা আছে তিনটে খাটিয়া। সেই খাটিয়ায় শুয়ে তিনটি মেয়ে, তাদের জামাকাপড়ের আর মুখের অবস্থা দেখলে বুজতে অসুবিধা হয়না কি হয়েছে তাদের। একটা মেয়ের দিকে তাকিয়ে আমি খুব ক্ষীণ কন্ঠে প্রশ্ন করলাম,

-“কে ?”

তার উত্তরে, মেয়েটা যে দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকাল, সেটা আমি কোনোদিন ভুলব না… অত অবজ্ঞা, ঘৃণা আমি কক্ষণো কারোর চোখে দেখিনি। জ্বলন্ত সেই দৃষ্টি যেন আমাকে বলতে চাইছিল, তুমি… তুমি করেছ আমাকে ধর্ষণ… তুমিও এই পুরুষ জাতির প্রতিনিধি…

আমি দু’পা ছিটকে সরে এলাম… কেন, কিসের ভয়ে জানি না… দু’পা পিছিয়ে, পিছন ঘুরে সিঁড়ি দিয়ে দৌড়ে দোতলায় উঠে গেলাম। দোতলায় উঠে যেটা দেখতে পেলাম, সেটা যেন স্ট্যানলী ক্যুব্রিকের ‘আইজ ওয়াইড শাট’ ছবির একটা দৃশ্য। ঘরে একধিক মেয়ের গনধর্ষণ চলছে একের পর এক মেয়ের। আমি চিৎকার করে উঠলাম… এ আমি কিছুতেই হতে দেব না…

Eyes Wide Shut – Stanley Kubrick

চারপাশের সব ধর্ষক তার জবাবে আমার দিকে তেড়ে এল… কেউ লাঠি, তো কেউ তলোয়ার নিয়ে। সবাই আমাকে ঘিরে ধরল। আমি চিৎকার করে চলেছি… একটা লাঠির বাড়ি মাথায় পড়ল। আমার স্বপ্নেও আমি হিন্দী ছবির নায়ক হয়ে উঠতে পারি না… তাই সবাই মিলে যখন আমায় বেদম প্রহার শুরু করল, তখন আমি ঘুম ভেঙ্গে চিৎকার করে উঠে বসলাম। দম বন্ধ হয়ে গেছিল আমার প্রায়…

এত অবধি পড়ার পর মনে হয়েছিল, এত বানিয়ে বানিয়ে খেটেখুটে কাউকে ডায়েরী লিখতে দেখিনি। আপনাদেরও তাই মনে হচ্ছে, তাই না ? সব বানানো ? কিন্তু, তারপর, আমার চোখে পড়ল হাতের লেখাটা। প্রতুলের হাতের লেখাটা মোটের ওপর সুশ্রী বলা চলে, কিন্তু এই স্বপ্নের জায়গাটুকুতে, সমস্ত হাতের লেখাটা কাঁপা কাঁপা, এলোমেলো…

শুধু ভাবুন, কারোর মনের মধ্যে কি চললে, সেখানে এরকম একটা স্বপ্নের জন্ম হতে পারে ? ডায়েরিটা ২০১৪ সালের (আগে বলা হয়নি), হঠাৎ মনে পড়ল, সেই বছরই তো দিল্লী, পার্কস্ট্রীট, কামদুনী… মিডিয়ার কভারেজ বেশী দেখার ফলাফল ? জানি না… হতে পারে প্রতুলকে আমি চিনি না, কিন্তু এরকম চিন্তা ক’জন করে ? জানি না… মনটা কেমন একটা হয়ে গেল, তাই ডায়েরীটা বন্ধ করে রাখলাম… আজ রাতে ঘুম হবে কি ?

শান্তির আশায়…

নীল…

টিচার্স ডে…

না মশাই… আমি সেইসব লোকজনদের মধ্যে পড়ি না, যারা টিচার্স ডে-এর দিন স্ট্যাটাস দেয় “এক্স কে ধন্যবাদ, ও না থাকলে ধোঁকা খাওয়া শিখতাম না”… বা “বন্ধুদের ধন্যবাদ, ওদের জন্যই আজ নিজেই জয়েন্ট রোল করতে পারি”… না… আমি শিক্ষক দিবসটাকে আমি অত্যন্ত সিরিয়াসলি নিয়ে থাকি; কারণ ‘শিক্ষক দিবস’-এর মধ্যে শিক্ষক কথাটার গুরুত্ব বেশি… না, অপরিসীম। আসলে “দিবস” ব্যাপারটা একটা কারণে ঘেঁটে গেছে কয়েক বছর ধরে। সেটাও বলব; কিন্তু তার আগে একটু সেইসব শিক্ষকদের কথা একটু না বললেই নয়, যাঁদের প্রভাব আমার জীবনে পড়েছে, কখনো বেশী, কখনো কম…

শিক্ষকদের কথা বলতে হলে সবার আগেই যাঁর কথা বলতে হয়, তিনি আমার বাবা, বিজলী প্রসাদ সিংহরায়। আজ যেটুকু ইংরেজী শিখেছি, তার পেছনে এই লোকটিরই অবদান সবথেকে বেশী। আবার অঙ্কটা অনেক কষ্ট করেও আমাকে শেখাতে পারেননি; কারণ তাঁর অন্যমনস্ক ছেলের জন্য তাঁকে ৫-১০ মিনিট অন্তর অন্তর ধৈর্য্য এবং মেজাজ হারাতে হত; কিন্তু সে কথা না হয় থাক। গোটা জীবনটাকে ছকে বাঁধার চেষ্টা করে নিয়মানুবর্তিতারও শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, আর সফলও হয়েছিলেন, কিন্তু ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটির ৩ বছরের অনার্সের জন্য, আমার নিয়মানুবর্তিতার নটেগাছটিকেও অচিরে মুড়োতে হয়েছিল।  আজও তাঁর আক্ষেপ, এবং সে কথা প্রায়শই বলে থাকেন, “তোমাকে ১৬ বছরে যা শেখালাম, ৩ বছরে সব গোল্লায় পাঠিয়ে দিলে”। তবে বাবার কাছে বেশিরভাগ ছেলে-মেয়েই হল সব থেকে বাজে ছাত্র/ছাত্রী…

বাবা – মা

সেদিক থেকে বলতে গেলে, এই ব্লগের ৫০% অবদান বাবার, আর বাকি ৫০% মায়ের। কারণ আমার বাংলার শিক্ষিকা ছিলেন আমার মা। তিনি ভাষা ছাড়া আর কতটা কি শেখাতে পেরেছেন জানি না, তবে আমার শিক্ষার ব্যাপারে একটা জিনিস সবক্ষেত্রেই অপরিহার্য ছিল, সেটা হল ধোলাই। জেবনে এত্ত ধোলাই বোধহয় আর কোনো ব্যাপারে খাইনি। তবে এই ধোলাই দেওয়ার ব্যাপারে যিনি সবার আগে এগিয়ে আছেন, তিনি আমার দিদি শ্রীযুক্তা সেঁজুতি সিংহরায়। তবে আমাকে পড়তে বসালে যেসব ঘটনা ঘটত, তাতে আমার মাঝে মাঝে মনে হত, নামটা সেঁজুতি না হয়ে হুজ্জুতি বা শুধু ‘জুতি’ হলে অনেক সময়োপযোগী হত। মানে কিসের কিসের ঘা খাইনি ! লাঠি, ঝাঁটা, জুতো, পিঠ চুলকানো কাঠি, চিরুনি, স্কেল…

হুজ্জুতি…

তবে, বলাই বাহুল্য, প্রহার নামক এই ধনঞ্জয়ের আবির্ভাব আমার জীবনে না ঘটলে আমি উচ্চ-মাধ্যমিকে কেমিস্ট্রিতে ৮১ পাওয়া তো দুরস্ত, পাসও করতে পারতাম না…

কিন্তু এই দিদি আমার গরমের ছুটির দিনগুলোকে বিষময় করে তুলেছিল, ক্লাস এইট থেকে ক্লাস নাইন-টেন-এর বই খুলে প্রতিদিন একটা করে চ্যাপ্টার… ভাবলে আজও গায়ে শিহরন জাগে, চোখে জল আসে। তবে, এই অত্যাচারের সমুচিত প্রতিফল আমার দিদি পেয়েছেন, “নরানাং মাতুলক্রম”-এই নিয়ম মেনে আজ ভগবানই দিদির গর্ভে আর একটি হনুমান পাঠিয়েছেন, আর সে আমার থেকে এককাঠি ওপর বই নিচে না। আমার ভাগনে বাবাজীবনের আজ বয়স ছ’বছর। তাই হয়তো একটু হালকার ওপর দিয়ে যাচ্ছে। তবে তার কপালে যে কত কালো দিন অপেক্ষা করছে, তাহা স্মরণ করিলে শয্যাকন্টকি হয়…

এ তো গেল ঘরের কথা; এবার একটু বাইরে বেরোতেই হচ্ছে। স্কুলে আসার আগে আর এক জায়গার কথা বলা আবশ্যক, সেটা হল গানের ক্লাস। আমার “মাষ্টারমশাই” ৺বেচু মুখোপাধ্যায়কে বড্ড কম সময় পেয়েছিলাম। আমার ফাঁকিবাজির জন্য নিত্য গালাগালি খেতাম, এবং “কাতলা মাছের মত মোটা মাথা”, “ছাগলের মত বড় বড় কান” ইত্যাদি বিশেষণে ভূষিত হয়েও, কোনোদিন গায়ে লাগেনি; আসলে ছোট থেকেই গন্ডারের চামড়া ছিল তো…

মাষ্টারমশাই…

মাষ্টারমশাই চলে গেলেন, তখন ক্লাস নাইন-এ পড়ি। গান শেখার ইতি আমার সেখানেই। গুরু খুঁজলে হয়তো পেতাম। কিন্তু সেই আন্তরিকতাটা কোথাও পেতাম না, এটা জেনেই আর… যাক গে…

স্কুলে পড়াকালীন, দেখা হল রাণা স্যারের সঙ্গে। প্রথমে দু-একবার দেখেছিলাম, আর ভাবতাম, কবে ইনি আমাদের ক্লাস নেবেন। যেদিন থেকে নিতে শুরু করলেন, সেদিন থেকে ফিজিক্স জিনিসটার প্রতি যে মোহ-মায়া তৈরী হল, সেটা অনার্সের জঘন্য রেজাল্ট করার পড়েও যায়নি।

রানা স্যার

একটা চ্যাপ্টার শুরু করার আগে স্যার একটা করে গল্প বলতেন। থার্মোডাইনামিক্স পড়ানোর আগে কাউন্ট রামফোর্ড-এর গল্প, তারপর ওয়েভ-পার্টিক্যাল ডুয়ালিটির আগে ডি-ব্রুই (ডি ব্রগলি নয়)-এর গল্প। ফিজিক্স-এর প্রতি ভালোবাসা, প্রেম, যা যা বলা যায়, সেটার পেছনে রাণা স্যারের অবদান প্রচুর। আমি ফলো থ্রু করতে পারলাম না, সেটা আমার দোষ।

সরস্বতী পুজোর সময় ফুটবল খেলা থেকে শুরু করে সব খেলাধুলার ক্ষেত্রেই স্যার এগিয়ে থাকতেন।

দূর্গা স্যার

উপপাদ্য নামক ভয়াবহ জিনিসটা একটু হলেও সোজা করে দিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ স্যার। আর বাংলা ভাষাটার প্রতি আমার অনেক কালের যে ভালোবাসা, সেটা একটা অন্য পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন আমাদের দূর্গা স্যার। তাই এনাদের কথা না বললে, ঘোরতর অন্যায় করা হবে।

সিদ্ধার্থ স্যার…

টিচার্স-ডে উপলক্ষে স্কুলে প্রতি বছর একটা প্রোগ্রাম হত। সেটা স্কুল ছাড়ার পড়ও অনেকবার দেখতে গেছিলাম। চার বছর আগে শেষবার।  

সেইবার স্কুলে গেছিলাম, শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠান দেখতে, আর সেই স্যার-ম্যাডামদের সাথে একটু দেখা করতে। কিন্তু  সেই অভিজ্ঞতাটা মোটেই ভালো হয় নি। স্যার ম্যাডাম-দের সাথে দেখা হল ঠিকই, কিন্তু অনুষ্ঠান দেখার অভিজ্ঞতাটা, মাঠে মারা গেল। অনুষ্ঠান চলার মাঝখানে, কিছু অবাঞ্ছিত লোকজন স্টেজ এ উঠে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সংবর্ধনা জ্ঞাপনের সাথে সাথে, নিজেদের সংস্থার বিজ্ঞাপন ও করছিল(বলা বাহুল্য তাতে আমাদের কিছু শিক্ষক-শিক্ষিকার অনুমতি/মদত ছিল)। শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানের নামে এই প্রহসন, আমি সহ্য করতে পারিনি। ১২ বছর ধরে যা যা শিখেছিলাম, (যেমন, ‘সদা সত্য কথা বলিবে’, ‘অন্যায়ের প্রতিবাদ করিবে’, “সত্য বলিতে ভয় পাইবে না’) সব হড় হড় করে বেড়িয়ে এল। কিন্তু তারপর বুঝলাম, একটি কথা এখনো শিখিনি, সবই করবে, কিন্তু সকলের আড়ালে, একা একা, হয়তো আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে… সবচেয়ে আশ্চর্যের কথা হল, সংস্থার লোকজন সামান্য ক্ষমা চাওয়ার কথা ভাবলেন-ও না। বরঞ্চ আমার-ই ভাই-বোন দের আয়োজন করা অনুষ্ঠানের বারোটা বাজিয়ে তাঁরা উঠে পড়ে লাগলেন নিজেদের কাজকর্মের ব্যাখ্যা দিতে। একজন শিক্ষিকা, এসে আমাকে বেশ কড়া বাষায় বোঝালেন, কত বড় গর্হিত অপরাধ আমি করেছি।

সেই যে স্কুল থেকে বেড়িয়ে এসেছি, আর স্কুলমুখো হইনি। স্যারেদের সাথে যোগাযোজ আছে; কখনো ফোনে, কখনো বাড়ি গিয়ে।  

টিচার্স-ডে এর ক’দিন আগে একটা খুব খারাপ খবর পেলাম। ক্লাস টেন-এ একজন স্যারের কাছে অঙ্ক আর মেকানিক্স পড়তাম। তিনি আমার থেকে ৪ বছরের বড় ছিলেন। দু-তিন দিন আগে খবর পেলাম, তিনি মারা গেছেন। সেই দেবার্পণ দা আমার মাধ্যমিকের রেজাল্টাটা পাতে দেওয়ার মত হওয়ার জন্য অনেকটাই দায়ী…

দেবার্পণ দা…

আমার দিদির স্কুল (ব্রাহ্ম গার্লস)-এর ম্যাডাম ছিলেন শর্মিষ্ঠা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওনার কাছে অঙ্ক পড়তে গিয়ে আলাপ হয়েছিল ওনার স্বামী, মানে প্রেমাশিষ স্যারের সাথে। অঙ্ক কতটা শিখেছিলাম জানি না, কিন্তু ওনাদের সান্নিধ্য পেয়েছিলাম, অনেক গানের সিডি পেয়েছিলাম, আর একটা অসাধারণ পরিবার, বাড়ি দেখেছিলাম। আর কি শিখেছিলাম, সেটা আর বললাম না, ছোট মুখে বড় কথা হয়ে যাবে তাহলে। কিন্তু একটা অদ্ভূত সুন্দর পরিবেশ ছিল বাড়িটায়। এখনো নিশ্চয় আছে, তবে যাওয়া হয়নি অনেকদিন…

শর্মিষ্ঠা দি ও স্যার…

কলেজে পেয়েছিলাম অমিতাভ (এ এস) স্যারকে। রাণা স্যার যে ভালোবাসাটা তৈরী করেছিলেন, সেটা কালক্রমে এ এস স্যারের প্রভাবে দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েছিল। তা  ছাড়া কলেজের পিকনিক, ক্রিকেট ম্যাচ, ডিপার্টমেন্টের ম্যাগাজিন, সব ব্যাপারেই স্যার আমাদের যে মদত আর সাহয্যটা দিয়েছেন, সেটা কোনোদিনই ভোলার নয়। সেমিনার ক্লাবের সেমিনার অর্গানাইজ করা, কলেজের পারমিশান, সব ব্যাপারেই আমাদের বিপত্তারণ ছিলেন ডক্টর অমিতাভ শীল।

অমিতাভ স্যার…

বাড়িতে অনার্স পড়তাম সাধন দা এবং দীপঙ্কর দা-এর কাছে। নাম নিলুম, কিন্তু এত খারাপ স্টুডেন্ট তো তাঁরা জীবনে পাননি, তাই আজ ত্যাজ্যছাত্র করলে অবাক হব না।

কেমিস্ট্রির প্রতি আমার ভালোবাসা কোনোদিনই ছিল না। সত্যি কথা বলতে গন্ধ সহ্য হত না। উচ্চমাধমিকের পর, দিদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়ার পর পাসের কেমিস্ট্রি নিয়ে বেশ চাপে ছিলাম। কিন্তু অর্গানিক ক্লাসে ঢুকে বেশ স্বস্তির নিঃস্বাস ফেলেছিলুম কৌশিক স্যারের পড়ানো দেখে। দিনে দিনে কথা বাড়ল সিনেমা নিয়ে, ফাউন্টেন পেন নিয়ে, তারপর কলেজ স্ট্রীটে পেনের দোকানে দাঁড়িয়ে চা খাওয়া থেকে একসাথে পেন কিনতে এদিক ওদিক যাওয়া, ঘন্টার পর ঘন্টা স্টিফেন কিং থেকে লাভক্রাফট, আর হেলবয় থেকে শার্লক হোমস নিয়ে আলোচনা,  আর মাঝে মাঝেই স্যারের বাড়িতে আড্ডা। স্যার আমার কাছে স্যার রয়ে গেলেন, স্যারের স্ত্রী ‘বউদি’ হয়ে উঠলেন, আর একটা ভাইঝিও পেলাম। এটা ছাত্র হিসাবে আমার একেবারেই অন্যরকম প্রাপ্তি।

স্যার, বউদি আর ভাইঝি…

তবে, কলেজের পড়, এরকম শিক্ষক একজনও পাইনি, যিনি আমার জীবনকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখেন। সত্যি বলছি।

তবে, এ সবের বাইরে একজনের কথা না বললে, এই বিরাট লেখা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। তিনি আমার জামাইবাবু, কৌস্তভ বন্দ্যোপাধ্যায়। সামান্য যে টুকু জ্ঞানের জন্য নিজেকে ফটোগ্রাফার বলে কলার তুলে ঘুরি আজ, সেটার হাতেখড়ি হয়েছিল কৌস্তভদার হাতেই। ডি এস এল আর ধরা শিখেছিলাম, শিখেছিলাম ছবি তোলা।

কৌস্তভদা…

বিরাট বড় লেখা হয়ে গেল, জানি। কিন্তু সবার কথা লিখতে গেলে পরিসরের কথা চিন্তা করা মুশকিল। দিন প্রায় শেষ হতে চলল, কিন্তু দিনের শেষে আমার সব শিক্ষক-শিক্ষিকাকে জানাই আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম। আপনারা না থাকলে, আমি সত্যিই থাকতাম না…

শান্তির আশায়…

নীল…

পুনশ্চ – শনিবার যথারীতি প্রতুলের ডায়েরীর দ্বিতীয় কিস্তি আসবে…

প্রতুলের ডায়েরি… : প্রথম কিস্তি

লেখকের কথা :

কলেজস্ট্রীটের ফুট থেকে পুরোনো ডায়েরী কিনে যে কেন এনেছিলাম, সেটা ভাবলে এখন নিজের মনকেই কোনো সদুত্তর দিতে পারি না; হয়তো ভেবেছিলাম, প্রোফেসর শঙ্কুর পরের ডায়েরী, যেটা হয়তো মাণিকবাবুর হাত এড়িয়ে পুরোনো বইয়ের বোঝার ভেতরে আত্মগোপন করে ছিল… কিন্তু সেরকম কপাল নিজে আর এই পোড়া দেশে কতজনই আর জন্মেছে ? শঙ্কুর বদলে পেলাম প্রতুলকে। তবে না, সে বিজ্ঞানী-টীজ্ঞানী নয়… আসলে তার ডায়েরী পড়ে বোঝা যায় না, সে কি করে, ঠিক কি তার পেশা। কিন্তু তাকে যেটুকু চিনেছি, তা তার ডায়েরীর থেকে… প্রথমে ভেবেছিলাম, তার ডায়েরীটাকে হুবহু তুলে দেব, কিন্তু তারপর ভাবলাম, না… আসলে প্রতুলের ডায়েরীর সংষ্পর্ষে থেকে আমার নিজের অনেক কথা, যেগুলো বলতে গেলে গলার কাছে দলা পাকিয়ে দম বন্ধ হয়ে আসে, সেগুলো যেন বেড়িয়ে আসছে, একটু করে… তাই প্রতুলের ডায়েরীটা আমি কিভাবে পড়েছি, এবং কি পড়েছি, দুটোই এখানে লিখতে বসলাম। ভালো হয়তো আপনাদের লাগবে না, কিন্তু প্রতুলদের মনের মধ্যে কি চলে, সেটা জানতে পারবেন, আর বুঝতে পারবেন, মুখ ঘুরিয়ে নিতে না পারার কি জ্বালা…

সাধরণ মানুষের সংজ্ঞাটা, সময়ের সাথে সাথে বদলে গেছে আমাদের কাছে। একসময় সাধারণ বলতে আমরা বুঝতাম পরশপাথরের তুলসী চক্কোত্তি, কিংবা কাপুরুষ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। এখন কি বুঝি, সেটা আমার চেয়ে ভাল সিজিদ্দা বলতে পারবেন। এবার, আমাদের সমাজের কাঠামো যদি ধরি একটা ধাতব পাতের ওপর খোদাই করা হয়, তাহলে সাধরণ মানুষও সেই পাতে একটা দাগ ফেলে তার দৈনন্দিন কাজের মাধ্যমে; প্রতুল হল সেই ব্যক্তি, যে সমাজের ছাঁচে সামান্যতম দাগ ফেলতেও অক্ষম… অর্থাৎ, সাধারণ মানুষেরও একটা স্তর থাকে, প্রতুল ধরে নিন সেই স্তরেরও নীচে বসবাস করে। মানে সাধারণের থেকেও সাধারণ যদি কিছু থেকে থাকে, সেই সম্প্রদায়েরই সদস্য প্রতুল। রাস্তার ভীড়ে যাদের পাবেন, তারাই সাধারণ মানুষ; কিন্তু প্রতুল হল সেই লোক, যে খালি রাস্তায় একা হাঁটলেও সবার চোখ এড়িয়ে যাবে।  

তার সম্পর্কে এ ধারণা আমার হয়েছে তার রোজনমচায় চোখ বুলিয়ে। কালো চামড়ারূপী রেক্সিনে বাঁধানো ডায়েরীটার প্রথম পাতায় লেখা রয়েছে “প্রতুল সেন”। ব্যাস… আর কিচ্ছু না, সন তারিখের বালাই নেই, রঙ-বেরঙের কালিতে লেখা। তবে লেখা পড়লে বোঝা যায় সেটা একদিনে কখনোই লেখা নয়। আর প্রথম লাইন থেকেই এক এলোমেলো অগোছালো মানুষের পরিচয় পেয়েছি…

‘দাগ’ – ছবিস্বত্ত্ব লেখক

 বছরের পর বছর, একের পর এক ডায়েরী জমিয়ে শেষে এটায় লিখতে শুরু করলাম। ঠিক রোজনামচা হিসাবে নয়, যখন যা মনে হবে সেটাই। আমার দোষ তো ওই একটাই; যতই নিজেকে ‘পারফেক্সনিষ্ট’ ভাবি না কেন, একটা কাজে রেগুলারিটি মেইনটেন করা আমার জীবনে হল না। তাই, ডেট বসিয়ে নিজের অক্ষমতার সাক্ষ্য রাখার পক্ষপাতী আমি নই। যখন যা মনে ইচ্ছে হবে লিখব। কোনো টিপ্পনী থাকবে না, লেখা চলবে লাগামহীন ঘোড়ার মতন।

এবার একটু শেষ কয়েক বছরের কথা বিশ্লেষণ করা যাক। এখানে ভর্তি হওয়ার আগে থেকেই স্কুলের বন্ধুদের জন্য মাঝে মাঝে মনখারাপ করত। আর এখানে এসে চারপাশের লোকজনদের দেখে শুনে ছেড়ে দে মা, কেঁদে বাঁচি অবস্থা হয়েছিল। ক্লাসের ছেলেপুলে যে রেটে টাকা ওড়ায়, সেটা আমার অন্তত খুবই দৃষ্টিকটু লাগে। আসলে ‘তোমার ভালো আরো ভালো হোক’ আর ‘তোমার ভালোতে আমি খুশি হলাম না’ এই দুটো জিনিসের মধ্যে অনেক তফাত আছে। এখানে এসে এই দ্বিতীয় প্রজাতীর মানুষের সম্মুখীন হতে হয়েছে আমাকে… তুমি যদি কিছু ভালো করতে চাও, তোমাকে সবাই আটকাতে চাইবে, তোমার ক্ষতি করতে চাইবে, আর না পারলে তোমার ভালো কাজ, তোমার সুন্দর জিনিসটা দেখেও নাক সিঁটকাবে। আসলে কারোর ভালো কাজ দেখে প্রশংসা করার আগে মনে হয়, আমার নিজের অক্ষমতাটা বড় হয়ে গেল। অন্যের অ্যাচিভমেন্ট-এর সামনে, আমার অক্ষমতা, যেন অ্যামপ্লিফায়েড হয়ে গেল। ওর ভালো কাজের প্রশংসার থেকে লোকে আমার অকর্মণ্যতার তুলনা করে বোঝাবে, আমি কতটা অক্ষম, কতটা তুচ্ছ।

এ শালা কোন দেশে এসে পড়ালাম রে বাবা ! চারদিকে আনকালচার্ড পাবলিকের সমন্নয়। এ বলে আমায় দেখ, ও বলে আমায় দেখ। টিচারদের পদলেহন করাটা নতুন কিছু নয়, কিন্তু তা বলে এত ? এবার তো পায়ে লালা জড়িয়ে আছাড় খাবেন তিনি ! এমনই উচ্চ চিন্তাধারার মালিক এনারা, রেস্টোরেন্টে ৫-৬০০ টাকার বিল তুচ্ছ জিনিস এদের কাছে, কিন্তু জেরক্সের দোকানে কেন ৭০ এর জায়গায় ৭৫ পয়সা নেব, এই নিয়ে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিতে এনারা পিছপা হন না…

শনি রবি ছুটির দিন, আর এই দুদিন ঘুমিয়েই কাটিয়ে দিই মোটামুটি… সারা সপ্তাহে অতটা যাতায়াত, ধকল কি আর কম যায়। রাতে ঘুমের অসুবিধা আমার কোনোকালেই ছিল না; দেশে যুদ্ধ বাঁধুক, বা মহামারী; আমি একেবারে মরার মতোই ঘুমাই… ঘুম আসে না শুধু কম্পিউটার খারাপ হলে… ইদানিং, খাওয়ার পড়ে, মানে ভাতঘুম এর সময় স্বপ্নের সংখ্যায় দিন দিন বেড়ে চলেছে; রাতে স্বপ্ন হয়তো কালেভদ্রে দেখে থাকি, কিন্তু দিনের বেলা স্বপ্ন দেখাটা একেবারে নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়াচ্ছে…

Daydream ? Or “Daymare” ?

এই অবধি পড়ার পর মায়ের ডাকে খেতে গেলাম, সেদিন রাতে আর পড়ার সময় হয়নি, একটা কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। ডায়েরীর পড়ের পাতায় যাওয়ার সুযোগ ঘটল আমার ঠিক একদিন পড়, রাত্রিবেলা…  

শুরুটা ঠিক ‘ঘটনাবহুল’ নয় ঠিকই, কিন্তু সুচনাতেই যদি সব শেষ হয়ে যেত, তাহলে তো আমাকেও বলতে হত সব ‘একলাইনে বলার কথা…’ যাক গে। আগেই বলেছি, কত কিস্তিতে শেষ হবে এটা জানি না, আর কতদিনে শেষ হবে সেটাও জানি না, তাই, একটু সহ্য করতে হবে বইকি !!!

শান্তির আশায়,

নীল…

‘Hope’ – Makes us Cry the Most…

I’ve been told often that I get emotional easily… Specially watching movies, the four years old me cried while watching The Lion King, and that has become a habit growing up.

There are so many movies that made me cry, but last night actually surprised me.

I was watching ‘Article 15’ last night; and the last scene of that Film made me cry.

 I’m not here to critique the Film, but to put some things in perspective. The film is about equality, as we all know by now, and how a Cop in Uttar Pradesh tries to enforce the Article 15 of the Indian Constitution. The movie is a very well made, and worth spending time on.

But, that’s not what I’m here to talk about.

This movie portrays the very real situation of Rural India, where lower casts (Dalits) are marginalized and preyed upon. Higher Casts are not allowed to Eat Food from there hand/kitchen even step in their Shadows, even in 2019. But not just rural, even in Urban India, marriage proposals start with

-“What ‘caste’ are you ?”

And we normalized this discrimination by putting a social label to it. “It’s what’s been happening since the dawn of time”, “It’s a part of Vedic Culture” etc etc…

It’s a great excuse to pull the world’s oldest book in the mix to justify things, but as Vedas clearly states, the “Varnashram” is the social division with respect to occupation. Scholars are Brahmins, Warriors are Kshatriyas, etc. Now, A Son of a Kshatriya usually goes into the family business of War and being Kings, and so does a son of a Brahmin; there’s rarely any change in occupation.

So, what started as occupational, got carried forward by Descendance… and thus “Varnashram” became racism. And even in modern society, we expect a son of a cobbler to become cobbler, not a doctor. And there is absolutely no ‘logic’ behind this mindless thinking.

This is going on for centuries. There are some places, where things are better, but In most places things are worse than ever.

But, in the last scene of Article 15, we see a Police Force led by Ayan (Ayushmaan Khurana) is eating food from a roadside vendor. And when Ayan asks “Amma, Kaun Si Jaat Ke Ho ?” we hear a truck pass by and that muffles the answer of the old woman.

I cried in that precise moment…

Because, ‘Hope’…

I often say, the chaos in my country will increase day by day. Communities will be at each other’s throat. Human Rights will be reduced to mere words. And people will not feel safe walking the streets.

But, still… Movies like Article 15, gives us hope… Gives me hope… Maybe we can make this better, maybe our country can be what we want it to be with our collective effort. Maybe one day we will be known for only the work we do, not our surnames. Not by my descendants, but my own doings.

Hope… and that made me cry… that made me feel helpless… Made me feel like that 4 year old dreamy kid, who only saw the good in this world.

But, we can’t live in the movies, can we ?

Peace…

Neel…    

All Izz Well !!!

“Karo Bakchodi, Mujhe Kya ?”

-Mahatma Gandhi

Relax !!! Don’t pull your guns and sticks !!! I know that the quote is fake. As fake as the Economic Crisis of India.

I mean seriously… What’s the ruckus is all about ? Are you seriously going to believe, that we, the largest democracy (?!!), is facing a financial crisis ? are you high or something ? I know… In social media, there are fake news being spread; but stop worrying people, listen to your government… Even our finance minister says our economy is better than all other countries, even USA and China, so what are you complaining about ? You think you know better than our minister ? Our Government ? You… You Anti-National…. You Urban-Naxal… You.. You Librandu…

Let me tell you a story, say you have a servant, you called him and said “I’m very hungry Today, Please Prepare Something good to eat.” When you reach your house, you realize, the servant cooked nothing, but cleaned the house pretty well… and expects you to praise him for that…

Sounds familiar ? That’s the abolition of section 370 and 35A in Kashmir to You…  

The Emperors of Rome built the Colosseum to host the games of circus, because, violence is human nature, and killing animals and gladiators were  good distractions to create, when people start to realize : they are living under a tyrant rule.

So, that’s what we get… The Conflict of Kashmir between India and Pakistan is our circus, because when it comes to our nationalism, nothing else evokes that more.

But, not to worry, because everything is peachy here. A rape victim and her entire family gets obliterated, and we have politicians talk about how it is now very easy to get Kashmiri Fair Girls, but hey ! Our women’s rights are better than Saudi… Be Proud (!?)…

And nowadays, people have so many unimportant concerns. Whenever I open any social media, I see photos and news of Amazon Rainforest Burning… So ? Why do I care ? It’s just a Jungle ! Maybe a big one; maybe so it supplies 20% of Earth’s total oxygen, But it’s just trees and animals… There’s no point in wasting time in such silly concerns.

When Chennai, Bengaluru and other Southern cities are facing a Water Crisis, did I show any concern ? We again have people spreading fake propaganda; like by 2021 there will be no water in several major cities. Did I fall for that crap ?  I have running water in my home, and I don’t pay a single penny for that.

So, why should I care for a silly Jungle Burning Thousands and Thousands Kilometers away ?

A few weeks ago, our Prime Minister put the Chandryaan – 2 in it’s orbit by his own hands. And you expect me to believe a bunch of scientists did that ? Yes, maybe they did help out. But who put it in it’s place ? and with Modiji doing all the work, I guess the fund cut of ISRO is justified. Why should they get credit and money for Modiji’s work ?

And frankly, these are petty issues. Our economy is booming. We can finally, legally marry Kashmiri Girls and and we are lynching our problems on a daily basis, so what more do you want ?

We have greater concerns. We finally maybe getting the Hindu Rashtra no one has ever asked for. For the last few years, we have misdirected so much pent up anger towards different religions. And we are there. We have the environment of hatred that is needed, we have once again, Hindus and Muslims watching each other in Disgust.

Finally, we will have that Utopia, , One Country, One Religion. Where without any protest, fearlessly, we will demolish a  hundred more Babri Mashjids and Shout “Mandir Wahin Banega” and lynch everyone who refuses to chant “Jai Shree Ram”.

Peace… in Our Time…

Neel…

Happy Birthday !!!

Libberish is Officially Two Years Old Now…

with Closer to 100 Blog Posts, I guess we are in a Matured Territory Now…

Let’s see what future has in Store For Us…

Thank you for all the Support you’ve given me for the last couple of years, I never thought I’d make this far.

As Promised, the Gallery section is Added to the Page, where you’ll be able to take a look at some of my Photographs.

Thanks once again, and hope to see you in the Future…

Wanderlust : Kalinga Calling…

Anga, Banga and Kalinga… in times of Samrat Ashoke of the Maurya Dynasty, Bihar, Bengal and Orissa were known as such, respectively… and the Sea Sides of Orissa has a place to be for Wander-lusters such as myself for who knows how long.

This is my 9th time in Puri… Yes, you’ve heard it right; 9th… As I’ve mentioned before, I don’t like Sea Beaches that much, but there was some other attraction here, which lured me back to Orissa…

Driving…

When a friend of Mine introduced me to the idea of Driving from Kolkata to Puri, I was on board immediately. And after a little deliberation, we decided to take my Swift Dzire and start on 13th.

The Road…

The Plan was Simple. Start from Kolkata, and after a few necessary halts, reach Konark Sun Temple. And after a brief visit to the Temple and Chandrabhaga Beach, we break for the Night in Puri, and on the Next Day, after Sea Bathing and Visiting the Jagannath Temple, we leave for Bhubaneswar, on the way, we visit Dhauligiri (Dhabalgiri) Shanti Stupa, Nandankanan Zoological Park and Udaygiri-Khandagiri Caves. On the last day we visit the Lingaraj Temple and start for home.    

The Traveler…

Being the conditional early-riser, I planned to start on 4 AM on 13th, but my comrades pushed that to the territory of 5:10-5:20 AM. With the morning drizzle the weather was pleasant, but there were chances of heavy rain, always. And we did get quite a heavy rain on our way. We managed to reach Konark by 2.10 PM clocking a whooping 504 Kilometers. The road was nothing sort of delightful.

The Rain…

The Morning Breakfast of Bread and Omelet was digested even before we reached Baleswar. So, we had our lunch in the OTDC, Konark. It was adequate as we opted for Thalis.

After Lunch, we thought we’d hit the Beach first, and then Enter the Sun Temple. So, we went to Chandrabhaga.

I’ve never seen Chandrabhaga Like this… the salty moist wind coming from the sea was so strong, it felt like my mobile will be thrown off from my hand. The Drizzle returned, and we locked our gadgets in the car and enjoyed the breeze and the shower for a little bit. Then we went back to Konark Sun Temple, and I was Disheartened by the sorry state of the Temple. Although restoration is ongoing but, with the exoskeletons and botched up restoration jobs, things are worse than ever.

Restored ?

We reached Puri at around 7:30 PM, and called it a Night.

I think OYO Room ACs hold some kind of grudge against me, as the temperature Controller never seem to work. I went to bed in Puri, but woke up in Shimla in the Morning. And obviously, caught a cold.

Beach – Lapse

But I dragged my reluctant friends in the beach and the saline did clear my noses a little bit. But that came with its share of logistical problems. I was wearing a running trouser, which had a internal netting, and sand went through that net and got stuck inside, making me look like a person suffering from Elephantiasis. The situation was so much worse, I’ve had to cut myself out of the Trouser and discard it.

Puri – Konark Marine Drive…

We left for Dhauli at about 10-10.30 AM. In an hour we reached the Shanti-Stupa and the view was great, but with the hue and cry of a miscellaneous type of tourists, the Shanti was definitely lacking.

Ashoke Stambha – Dhauli

Next stop, Nandankanan Zoological Park.

I was pleasantly surprised by the state of Nandankanan. The Zoo looked very well maintained, and the Animals felt well treated. After an exhausting 3 hours stroll around the park, we had our lunch in OTDC Nandankanan. After that we left for Khandagiri and Udaygiri caves.

Udaygiri Caves…

Again, my disgust for mankind became profound after I saw how the Monkeys of Khandagiri are treated. They are semi domesticated, for the purpose of humans to earn a penny or two. I don’t think Indians quite understand, offering an animal some food is not doing it a favour. It’s the opposite. A wild animal is supposed to hunt, and gather food on its own. But if we keep offering food, they will stop doing that and their natural instincts will die out, and their dependencies to humans will increase and that result tends to be catastrophic. Because if Monkey’s don’t get what they want, they opt for snatching. And that is not going to be OK for anyone… not the travelers, and not the Monkeys.

We were about to call it a day, but a senior of mine living in Bhabaneswar arrived (with my invitation, of course) and we went for a late night food walk/drive… We had Orissa Special Biryani and Chicken Pakoda.

On 15th August, we gave in to our Lethargy and woke up late. Got dressed and went to see the Lingaraj Temple. Although camera/mobiles were not allowed, but believe me, it was magnificent. The structure, the artwork, the sculpture it was all a treat for the eyes. And on the entrance to the temple itself, I found something incredible.

Lingaraj – From Afar…

We all know how the Hindi Imperialism is trying to take over our Country and most of us have a very wrong conception that Hindi is our national language. But, on the entrance of the Lingaraj, I found two wall, where there are inscriptions in different languages of India; I found Old Bengali (the script used in Charjapad), Old Odia, Devanagari, and some Dravid scripts. And it made me realise once again, how, day by day, we are replacing Harmony with chaos. Yes, it was a religious monument, but cultural harmony was never left out. A respect for different cultures and different languages were reflected on those walls.

The Way Back…

Now, it’s time to head home. And after hitting the road, we realized, Orissa Government keeps most of the gas station closed in Independence Day till the Evening. And with fuel indicator reaching reserve, with the help of google maps, a few phone calls and 50-60 KMs of Detour, we found some Diesel to fill the tank.

The way back was pleasant enough, except for a few devil-may-care cows and goats on the road. We reached Kolkata at 9:45 PM while clocking a total of 1178 Kilometers on the Car.

This might be the last Wanderlust for a long time. As, I’m one step away from being a corporate slave. I don’t know when or in which year, I might hit the road again. So, Wanderlust might have to be Wandersaint for a while.

Peace…

Neel…

P.S

Libberish is Now https://www.libberish.net/

As Promised, there is A New Gallery Section Added, and I hope to see you in my next rant.          

অজুহাত…

এ পৃথিবীতে, অজুহাতের থেকে সোজা জিনিস বোধহয় আর কিছু নয়… এই যেমন ধরুন না, আমার ল্যাপটপ খারাপ হয়েছে বলে আমি অজুহাত দিলাম, এই শনিবার ব্লগ লিখতে পারব না…

ভালো লাগছে না, তাই আজ জিম-এ গেলাম না, ভালো লাগছে না তাই ঘরে বসে সারাদিন ঘুমালাম।

আর এরকম নানান অজুহাত দিতে দিতে আমরা ভুলে যাই দায়িত্ব নিতে… দায়িত্ব কাকে বলে… দায়িত্ব নেওয়া মানে যেমন দায়িত্ব পালন, তেমনই নিজের দোষ স্বীকার করাটাও… মানে ইংরেজীতে যাকে বলে-

“Taking Responsibility of your actions…”

এটা তো আজকাল কারোর থেকে আশা করাই বৃথা… আসলে নিজের দোষ স্বীকার করতে যে সাহসটা লাগে, সেটা অধিকাংশ লোকেরই থাকে না… অনেকে মনে করে দোষ স্বীকার করাতে সম্মানহানী হয়ে গেল (দোষ করাতে হল না ); অনেকে কাছে ছোট হয়ে গেলাম; ইত্যাদি ইত্যাদি।

তো, অজুহাত জিনিসটা আজকাল, সবার কাছে চিরন্তন হয়ে গেছে। ধরুন আপনি মদ্যপান করেন। আপনার অ্যালকোহলের স্বাদ ভালো লাগে, বা আপনি ওই টলমল নেশা নেশা ব্যাপারটা পচ্ছন্দ করেন। খুব ভালো… আপনার লীভার, আপনার জীবন, আপনি মদ খাবেন না ফিনাইল, সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু, আপনি লোকের কাছে ‘অজুহাত’ দিচ্ছেন;

-“মদ না খেলে আমার ঘুম আসে না…”

বা

-“মদ না খেলে আমি কবিতা লিখতে পারি না…”

এগুলোর থেকে ফালতু কোনো অজুহাত আর কিছুই হতে পারে না। এবার ধরুন আপনার কোনো ভালো বন্ধু, বা ছোটবেলার বন্ধু, সে আপনাকে বলল,

-“ভাই, মদ্যপান করিস না…”

সে মনে করেছে তার এ কথাটা বলা উচিত সে আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী বলে, আপনি ভাবলেন

-“আমার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হচ্ছে…”

আপনি বন্ধুটির সাথে ঝগড়া জুড়ে দিলেন, তারপর যখন সে বন্ধুটি আপনার ব্যবহারে মনঃক্ষুণ্ণ হয়ে বিদায় নিল, আপনি সকলকে অজুহাত দিলেন

-“আসলে, আমার সাথে সবাই টিকতে পারে না, সবাই তো আর প্রকৃত বন্ধু হয় না…

সেই তো…

আপনি চান সেইসব বন্ধু, যারা আপনার আপাত নীজঃধ্বংসী কাজে আপনাকে সমর্থন করবে… যারা আপনার ভালো মন্দের কথা না ভেবে বলবে,

-“না ভাই, সব ঠিক করছিস… আমি তোকে কোনোদিন ‘জাজ’ করি ?”

আসল কথা হল, আপনার বন্ধু নয়, ‘মোসায়েব’ দরকার। যারা আপনার ইগোতে প্রত্যহ জাপানী তেলে মালিশ করে সেটাকে আইফেল টাওয়ার করে ফেলবে।

আমি আগেও বলেছি, এবং বার বার বলছি, আমাদের বন্ধুত্বের সংজ্ঞা দিন দিন সংজ্ঞাহারা হয়ে ম্যাদামারা হয়ে যাচ্ছে। আমরা বন্ধুত্ব চাই, কিন্তু আমাদের ভুল ধরিয়ে দেবে বা ভালোমন্দের বিচার করে দেবে, সেরকম কাউকে চাই না। হ্যাঁ ভালোমন্দের বিচারটা অবশ্যই আপেক্ষিক, কিন্তু যে আপনার ছোটবেলার বা খুব কাছের বন্ধু, সে যদি আপনার কোনো সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে, তাহলে সেটা নিয়ে একবার না ভেবে দেখে তাকে দূরে সরিয়ে দেওয়াটা কি ঠিক সমীচীন কাজ হচ্ছে ? ভেবে দেখুন…

শান্তির আশায়,

নীল

পুনশ্চ – অজুহাত বড় খারাপ জিনিস… এই যে দেখুন না, আমি ল্যাপটপ খারাপ হওয়ার অজুহাতে এক সপ্তাহ আগে অজুহাত নিয়ে শুরু করা লেখাটা এই সপ্তাহের অজুহাতে কেমন বন্ধুত্বের অজুহাত দেখিয়ে আবার চালিয়ে দিলাম ?

যাই হোক…

১৮ তারিখ লিবারিশের দ্বিতীয় জন্মবার্ষিকী… সে উপলক্ষে কিছু ঘটনা ঘটবে, শিগগিরই জানতে পারবেন…

Crazy, Stupid…

STATUTORY WARNING: If the content feels too much of a cliché, that’s because it is… But, sometimes, but when you think of it; the basic human life is full of some overly dramatic clichés. So, you’ve been warned, you are free to live anytime.

Have you ever seen a girl so beautiful, that the moment you felt like saying:

– “Gawwd !! I’ve got to have sex with that Girl !!!”

I’m serious. A Face of a girl, giving you a boner, it happens, and more times than you know. Some arbitrary statistics say (I forgot the source, google it…) the body part of a woman that most males get attracted to is the face; not ass, and not boobs.

So, you saw a face, pictured her ravaging in bed; and mistook it for love. I’m no expert; but physical attraction is a part of love, but there’s always more to it. Now, let the situation play out; you got sexually aroused by a girl, you proposed to her (I’m not clarifying the type of proposal). And things get on moving. You go to a closed room, get each other undressed and have sex.

Once it done, what do you do? Have your naked, sweaty bodies discovered love? Or you got what you’ve wanted and you move on?

Choices…

If we believe in the illusion of free will, then choices are what defines and builds our very cliched life. Our society, where sex was, and still at some point a taboo, people are becoming more and more sexually liberal and they are defining their relationships that way.

Around 100 years ago, a girl talking to a boy could land her in a complete house arrest. But with time, things changed and we are into things like friends with benefits, and open relationship and whatnot. I do believe sexuality is an integral part of a persons love life or relationship, but there are people who proudly say

– “I’m in it for the sex…”

People have a very different picture of relationships today. And sometimes most of us forget, that there is a companionship in every relationship.

Suppose, you’re living together, (or married) you come back home your partner comes back home, when you ask for sex, your partner claims to have a headache. And these headaches become frequent with time.

Now, what do you conclude?

  1. He/She is having an affair. Confront Him/Her.
  2. He/She lost interest in you. Confront Him/Her.
  3. The ‘Spark’ between you too are gone and it was a mistake.

Have you ever thought that this headache thing, might be a chronic illness that’s growing day by day? Have you ever considered caressing his/her forehead and help him/her go to sleep?

You know why? Because that is harder. It’s very easy to assume things that aren’t there rather than addressing things that are very real.

Like I said, Cliché…

If a face gives you a raging boner, that’s testosterone. That’s not love. We need to be much more responsible when comes to people. When you approach a girl (or a boy) you need to take responsibility. You want to have fun, have meaningless consensual sex, go ahead. It’s your choice. But keep in mind, the moment the word relationship is used, you are signing up for much much more than sex. You are signing up for responsibilities, for sleepless nights of gossip or just holding someone close. For meaningless fights and pointless apologies. You are signing up for wiping each other’s tears. You are signing up for mutual respect, and confronting all the world together, hand in hand.

So, the next time you see a girl SOOO beautiful that you want to have sex with her desperately. Just convince yourself, what do you exactly want. Don’t get naked together and call it a relationship…

Peace…

Neel        

ও দাদা, বুঝতে পারলাম না…

আমি অনেক সময়ই বলে থাকি, আজ থেকে ১০-১২  বছর আগে যখন আন্তর্জালিক যোগাযোগব্যবস্থায় জড়িয়ে আমরা দুবেলা হোঁচট খেতাম না, তখন জীবন অনেক সহজ ছিল। ফেসবুক থেকে ট্যুইটারের রমরমায় সবার আগে যে জিনিসটা আমরা হারিয়েছি, সেটা হল আমাদের সততা, মানে সত্যি কথা বলার সৎ সাহস।

আমরা মানি,  বা না মানি, আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া একটু একটু করে আমাদের পরিচয় বা আইডেনটিটি-এর একটা বড় অংশ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আমি কি পোস্ট করছি, কাকে ফলো করছি, কার কোন পোস্ট-এ কি রিঅ্যাকশন দিচ্ছি, সবই আমার মনোভাব আর পরিচয়ের অঙ্গ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দিনে দিনে। আর শুধু এই কারণেই একটা বিপত্তি ঘটছে।

মান্না দে সেই কয়েক দশক আগে গেয়ে গেছেন…

“যা খুশি ওরা বলে বলুক, ওদের কথায় কি আসে যায় ?”

কিন্তু ব্যাপার হল, অনেক কিছুই আমার যাচ্ছে-আসছে… একটা লাইন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার আগে তাই আমি দশবার ভাবছি – “লোকে কি ভাববে…” কারণ চাই বা না চাই, সোশ্যাল মিডিয়ার চক্করে আমরা অনেক বেশী জাজমেন্টাল হয়ে পড়েছি; দু’জনের ব্যক্তিগত মতামত আলাদা হতেই পারে, আর সেই নিয়ে তর্ক-বিতর্ক করাটাই হিউম্যান নেচার। এখন অনেক তর্কেরই অবসান হতে পারে “লেটস এগ্রি টু ডিসেগ্রি” বলে। কিন্তু  তর্ক-বিতর্ক আজকাল শেষ হয় প্রথমে পারস্পরিক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি আর তারপর ‘ব্লক’-এ এসে।

তাই, এইরকম এঁড়ে তর্ক আর ফালতু জাজমেন্ট এড়ানোর জন্য, আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বর্ণ লেখার আগে দশ বার ভাবি… আর, মিথ্যে লিখি বা বলি…

যেমন ধরুন সিনেমা… পরিচালকরা যতই মনুষ্যোত্তর হোন না কেন, তাঁরা নিজে একা দেখার জন্য একটা সিনেমা নিশ্চয় তৈরী করেন না। আর একজন লোক, যে পয়সা খরচ করে একটা সিনেমা দেখছে, তার নিজের ওপিনয়ন দেওয়ার অধিকার অবশ্যই আছে… আর এখানেই আসে আনপপুলার ওপিনিয়নের কথা। ধরুন একটা সিনেমা, সবাই দেখে এসে ধন্য ধন্য করছে; আমি সেটা দেখে আগাপাস্তালা কিছুই বুঝতে পারলাম না। তাই আমি স্টেটাস দিলাম, “অমুক সিনেমাটার মাথামুন্ডু কিছুই বুঝলাম না…” ব্যস, অমনি এসে জুটবে একদল লোক, যারা প্রমাণ করতে উদ্যত যে আমার জ্ঞানের পরিধি কতটা ছোট। সেখান থেকে পার্সোনাল অ্যাটাক আর অনেক কিছু আগে থেকেই সত্য হিসাবে মনে মনে প্রতিষ্ঠা করে খিস্তিবর্ষন। খুব কম লোক আছেন, যারা কমেন্ট করবেন “কেন দাদা ? কি হল ?” বলে একটা গঠনমূলক আলোচনা/সমালোচনার সাহয্য নেবেন। তাই একটা সিনেমা, যেটা দেখে গত এক-দেড় ঘন্টা আমার ক্রমাগত মাথাব্যাথা করেছে, সেটা দেখে এসে আমায় সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখতে হয় “মাইন্ডব্লোইং !!! অমুকের সেরা সিনেমা…”

দেখুন, লোকে সিনেমা/শিল্প বুঝতে পারে না দু’টো কারণে;

এক, সেটা নিয়ে অনেক কিছু ভাবার বিষয় আছে, অনেক স্তর বা লেয়ার আছে গল্পের, যেটা নিয়ে অনেক ভাবনা চিন্তা করা যায় এবং আলাদা আলাদা উপসংহার-এ পৌছোনো যায়।

আর দুই, তাত মাল-মশলা কিছুই নেই, শুধু ঢপের কেত্তন, আর সেটা নিয়ে ভাবারও কিছু থাকে না পরে, শুধু মর্কেটিং আর সোশ্যাল মিডিয়ার ডামাডোলে ১-২ মাসের জন্য কাল্ট ক্লাসিক হয়ে দাঁড়ায়; তারপরে সেটার দিকে কেউ ভুল করেও ফিরে তাকায় না।

আমি যে সমাজে বাস করছি, শিল্প-সংস্কৃতি সেটার একটা বড় অংশ। তাই আমি অন্তত মনে করি, সেই সমাজবদ্ধ জীব হয়ে খারাপকে খারাপ আর ভালোকে ভালো বলার মৌলিক অধিকার আমার আছে। আমার মতামতের দাম কে দিল, সেটা দেখার কোনো প্রয়োজন বোধ করি না আমি, আমার মতামতের দাম শুধু আমার কাছেই আছে, কারণ আমার মতামতে আমি নিজেকে মিথ্যে বলছি না।

এখন সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে সেলিব্রিটি-দর্শক দূরত্ব অনেক অনেক কমে গেছে; কিন্তু সেলিব্রিটিরা নিজেদের মনুষ্যোত্তর জীব ভাবতে শুরু করেছেন। এখন কেই যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা দেখে দাবী করেন “আপনারা ইন্ডাস্ট্রির কি বোঝেন ?” তার থেকে বাজে যুক্তি আর কিছুই হতে পারে না… দর্শকরা না থাকলে, আপনার কোথায় থাকতেন ?

তাই নিজের অজান্তেই আমরা আমাদের মানসিক অবনমন ঘটিয়েছি। নিজের মনের সততাকে ফেলে দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার জগতের সাথে তাল মেলাতে তৈরী করেছি এক অন্য আমি, যার নিজস্বতা ভুলে গিয়ে সে অনেক কথায় কথা আর তালে তাল মেলাতে পটু। তার এইটুকু সাহস নেই, যে কারোর কথার ধার না ধেরে সে বলতে পারে,

-“ও দাদা, বুঝতে পারলাম না…”   

শান্তির আশায়,

নীল…

You don’t mess around with…

Spoilers… Those Who Haven’t Seen Stranger Thing Season 3, Please Stay Away…
..

..

..

..

..

..

I came across it, accidentally… I had my JECA Exam in three days, and my devices were failing one-by-one; first the mobile Micro SD card, then the Graphics Card of My PC. So, instead of preparing for JECA, I was running in and about the respective service centers.

It was a mess…

But, when I finally got a little bit of time o sit down, and surfing the internet, I came across a TV Series called “Stranger Things”.

I was curious; the name was interesting, yet very straight forward. Then I googled and found out that Stephen King himself has praised the series.

I was intrigued, and reluctantly, I started watching the show, and before I knew it;

I was hooked. In recent times, in multiple occasions, I’ve proved that I am an overgrown man-child. And it didn’t take me long before I became one with Will, Mike, Dustin, Lucas and Eleven.

Yesterday, I binged the third season of Stranger Things.

…and I cried a little…

I maybe the crazy nerd like mike or dustin or lucas, maybe eleven is my favorite character, but yesterday, I cried for Jim Hopper…

You don’t mess around with Jim…

Stranger Things, in surface maybe riddled with ‘Strange’ things, I mean with A Lovecraftian Hive-Minded Monster Lurking In an alternate Dark Dimension ‘Upside Down’ or Eleven’s Telepathic/Telekinetic Abilities, our plate remains, pretty full. But, once you scratch the surface, this is a tale of human emotions. For me, feels like reliving the glory days of my childhood, when I actually had friends. Teenage crushes and heartbreaks, everything.

But, after three seasons, Jim Hopper is probably the one, by whom I got moved the most. And after the credits of the season finale rolled, I realized two things.

First One is easy; in 2019, I got Avengers : Endgame, Game of Thrones ended; Iron Man died, and now, Jim Hopper… Maybe this is a wake up call, reminding me that my childhood is officially over.

Thrice the Charm…

But, the second one is very complicatedly simple… When Hopper’s Speech that he wrote for Mike and Eleven was revealed, I realized, the behavior of each and every possessive parent… What Hopper tried to convey to Eleven was that she maybe Mike’s Girlfriend, but she is also Hopper’s Daughter, and he likes to spend time with her too.

“I Left some Eggos in the Jungle, and you came to my Life…”

As we, the children grow up, and start building our own world around us, we forget to notice that we are already the part of the world of our parents. We spend less time with our parents, we become distant.

Yes, we must have our own world, but we must have the sense of belonging to our parents. Because one fine morning…

I don’t want to think about that… I, we all must and should spend more time with our parents, be a part of their world more. Yes, we may not like everything, because we will always be a child to them, but there smile is still the most precious thing in the world.

Is Hopper Alive ? Maybe… Is he in Kamchatka ? Probably…

But, the truth is, not everyone has the swag to smile in the face of imminent death, and remind us about the crazy stuff that our parents did for us, for our well-being, in one glance…   

Peace…

Neel

P.S. – Sorry for Last Week, I was too worn out to write anything.