প্রতুলের ডায়েরি… : প্রথম কিস্তি

লেখকের কথা :

কলেজস্ট্রীটের ফুট থেকে পুরোনো ডায়েরী কিনে যে কেন এনেছিলাম, সেটা ভাবলে এখন নিজের মনকেই কোনো সদুত্তর দিতে পারি না; হয়তো ভেবেছিলাম, প্রোফেসর শঙ্কুর পরের ডায়েরী, যেটা হয়তো মাণিকবাবুর হাত এড়িয়ে পুরোনো বইয়ের বোঝার ভেতরে আত্মগোপন করে ছিল… কিন্তু সেরকম কপাল নিজে আর এই পোড়া দেশে কতজনই আর জন্মেছে ? শঙ্কুর বদলে পেলাম প্রতুলকে। তবে না, সে বিজ্ঞানী-টীজ্ঞানী নয়… আসলে তার ডায়েরী পড়ে বোঝা যায় না, সে কি করে, ঠিক কি তার পেশা। কিন্তু তাকে যেটুকু চিনেছি, তা তার ডায়েরীর থেকে… প্রথমে ভেবেছিলাম, তার ডায়েরীটাকে হুবহু তুলে দেব, কিন্তু তারপর ভাবলাম, না… আসলে প্রতুলের ডায়েরীর সংষ্পর্ষে থেকে আমার নিজের অনেক কথা, যেগুলো বলতে গেলে গলার কাছে দলা পাকিয়ে দম বন্ধ হয়ে আসে, সেগুলো যেন বেড়িয়ে আসছে, একটু করে… তাই প্রতুলের ডায়েরীটা আমি কিভাবে পড়েছি, এবং কি পড়েছি, দুটোই এখানে লিখতে বসলাম। ভালো হয়তো আপনাদের লাগবে না, কিন্তু প্রতুলদের মনের মধ্যে কি চলে, সেটা জানতে পারবেন, আর বুঝতে পারবেন, মুখ ঘুরিয়ে নিতে না পারার কি জ্বালা…

সাধরণ মানুষের সংজ্ঞাটা, সময়ের সাথে সাথে বদলে গেছে আমাদের কাছে। একসময় সাধারণ বলতে আমরা বুঝতাম পরশপাথরের তুলসী চক্কোত্তি, কিংবা কাপুরুষ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। এখন কি বুঝি, সেটা আমার চেয়ে ভাল সিজিদ্দা বলতে পারবেন। এবার, আমাদের সমাজের কাঠামো যদি ধরি একটা ধাতব পাতের ওপর খোদাই করা হয়, তাহলে সাধরণ মানুষও সেই পাতে একটা দাগ ফেলে তার দৈনন্দিন কাজের মাধ্যমে; প্রতুল হল সেই ব্যক্তি, যে সমাজের ছাঁচে সামান্যতম দাগ ফেলতেও অক্ষম… অর্থাৎ, সাধারণ মানুষেরও একটা স্তর থাকে, প্রতুল ধরে নিন সেই স্তরেরও নীচে বসবাস করে। মানে সাধারণের থেকেও সাধারণ যদি কিছু থেকে থাকে, সেই সম্প্রদায়েরই সদস্য প্রতুল। রাস্তার ভীড়ে যাদের পাবেন, তারাই সাধারণ মানুষ; কিন্তু প্রতুল হল সেই লোক, যে খালি রাস্তায় একা হাঁটলেও সবার চোখ এড়িয়ে যাবে।  

তার সম্পর্কে এ ধারণা আমার হয়েছে তার রোজনমচায় চোখ বুলিয়ে। কালো চামড়ারূপী রেক্সিনে বাঁধানো ডায়েরীটার প্রথম পাতায় লেখা রয়েছে “প্রতুল সেন”। ব্যাস… আর কিচ্ছু না, সন তারিখের বালাই নেই, রঙ-বেরঙের কালিতে লেখা। তবে লেখা পড়লে বোঝা যায় সেটা একদিনে কখনোই লেখা নয়। আর প্রথম লাইন থেকেই এক এলোমেলো অগোছালো মানুষের পরিচয় পেয়েছি…

‘দাগ’ – ছবিস্বত্ত্ব লেখক

 বছরের পর বছর, একের পর এক ডায়েরী জমিয়ে শেষে এটায় লিখতে শুরু করলাম। ঠিক রোজনামচা হিসাবে নয়, যখন যা মনে হবে সেটাই। আমার দোষ তো ওই একটাই; যতই নিজেকে ‘পারফেক্সনিষ্ট’ ভাবি না কেন, একটা কাজে রেগুলারিটি মেইনটেন করা আমার জীবনে হল না। তাই, ডেট বসিয়ে নিজের অক্ষমতার সাক্ষ্য রাখার পক্ষপাতী আমি নই। যখন যা মনে ইচ্ছে হবে লিখব। কোনো টিপ্পনী থাকবে না, লেখা চলবে লাগামহীন ঘোড়ার মতন।

এবার একটু শেষ কয়েক বছরের কথা বিশ্লেষণ করা যাক। এখানে ভর্তি হওয়ার আগে থেকেই স্কুলের বন্ধুদের জন্য মাঝে মাঝে মনখারাপ করত। আর এখানে এসে চারপাশের লোকজনদের দেখে শুনে ছেড়ে দে মা, কেঁদে বাঁচি অবস্থা হয়েছিল। ক্লাসের ছেলেপুলে যে রেটে টাকা ওড়ায়, সেটা আমার অন্তত খুবই দৃষ্টিকটু লাগে। আসলে ‘তোমার ভালো আরো ভালো হোক’ আর ‘তোমার ভালোতে আমি খুশি হলাম না’ এই দুটো জিনিসের মধ্যে অনেক তফাত আছে। এখানে এসে এই দ্বিতীয় প্রজাতীর মানুষের সম্মুখীন হতে হয়েছে আমাকে… তুমি যদি কিছু ভালো করতে চাও, তোমাকে সবাই আটকাতে চাইবে, তোমার ক্ষতি করতে চাইবে, আর না পারলে তোমার ভালো কাজ, তোমার সুন্দর জিনিসটা দেখেও নাক সিঁটকাবে। আসলে কারোর ভালো কাজ দেখে প্রশংসা করার আগে মনে হয়, আমার নিজের অক্ষমতাটা বড় হয়ে গেল। অন্যের অ্যাচিভমেন্ট-এর সামনে, আমার অক্ষমতা, যেন অ্যামপ্লিফায়েড হয়ে গেল। ওর ভালো কাজের প্রশংসার থেকে লোকে আমার অকর্মণ্যতার তুলনা করে বোঝাবে, আমি কতটা অক্ষম, কতটা তুচ্ছ।

এ শালা কোন দেশে এসে পড়ালাম রে বাবা ! চারদিকে আনকালচার্ড পাবলিকের সমন্নয়। এ বলে আমায় দেখ, ও বলে আমায় দেখ। টিচারদের পদলেহন করাটা নতুন কিছু নয়, কিন্তু তা বলে এত ? এবার তো পায়ে লালা জড়িয়ে আছাড় খাবেন তিনি ! এমনই উচ্চ চিন্তাধারার মালিক এনারা, রেস্টোরেন্টে ৫-৬০০ টাকার বিল তুচ্ছ জিনিস এদের কাছে, কিন্তু জেরক্সের দোকানে কেন ৭০ এর জায়গায় ৭৫ পয়সা নেব, এই নিয়ে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিতে এনারা পিছপা হন না…

শনি রবি ছুটির দিন, আর এই দুদিন ঘুমিয়েই কাটিয়ে দিই মোটামুটি… সারা সপ্তাহে অতটা যাতায়াত, ধকল কি আর কম যায়। রাতে ঘুমের অসুবিধা আমার কোনোকালেই ছিল না; দেশে যুদ্ধ বাঁধুক, বা মহামারী; আমি একেবারে মরার মতোই ঘুমাই… ঘুম আসে না শুধু কম্পিউটার খারাপ হলে… ইদানিং, খাওয়ার পড়ে, মানে ভাতঘুম এর সময় স্বপ্নের সংখ্যায় দিন দিন বেড়ে চলেছে; রাতে স্বপ্ন হয়তো কালেভদ্রে দেখে থাকি, কিন্তু দিনের বেলা স্বপ্ন দেখাটা একেবারে নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়াচ্ছে…

Daydream ? Or “Daymare” ?

এই অবধি পড়ার পর মায়ের ডাকে খেতে গেলাম, সেদিন রাতে আর পড়ার সময় হয়নি, একটা কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। ডায়েরীর পড়ের পাতায় যাওয়ার সুযোগ ঘটল আমার ঠিক একদিন পড়, রাত্রিবেলা…  

শুরুটা ঠিক ‘ঘটনাবহুল’ নয় ঠিকই, কিন্তু সুচনাতেই যদি সব শেষ হয়ে যেত, তাহলে তো আমাকেও বলতে হত সব ‘একলাইনে বলার কথা…’ যাক গে। আগেই বলেছি, কত কিস্তিতে শেষ হবে এটা জানি না, আর কতদিনে শেষ হবে সেটাও জানি না, তাই, একটু সহ্য করতে হবে বইকি !!!

শান্তির আশায়,

নীল…

Advertisements

‘Hope’ – Makes us Cry the Most…

I’ve been told often that I get emotional easily… Specially watching movies, the four years old me cried while watching The Lion King, and that has become a habit growing up.

There are so many movies that made me cry, but last night actually surprised me.

I was watching ‘Article 15’ last night; and the last scene of that Film made me cry.

 I’m not here to critique the Film, but to put some things in perspective. The film is about equality, as we all know by now, and how a Cop in Uttar Pradesh tries to enforce the Article 15 of the Indian Constitution. The movie is a very well made, and worth spending time on.

But, that’s not what I’m here to talk about.

This movie portrays the very real situation of Rural India, where lower casts (Dalits) are marginalized and preyed upon. Higher Casts are not allowed to Eat Food from there hand/kitchen even step in their Shadows, even in 2019. But not just rural, even in Urban India, marriage proposals start with

-“What ‘caste’ are you ?”

And we normalized this discrimination by putting a social label to it. “It’s what’s been happening since the dawn of time”, “It’s a part of Vedic Culture” etc etc…

It’s a great excuse to pull the world’s oldest book in the mix to justify things, but as Vedas clearly states, the “Varnashram” is the social division with respect to occupation. Scholars are Brahmins, Warriors are Kshatriyas, etc. Now, A Son of a Kshatriya usually goes into the family business of War and being Kings, and so does a son of a Brahmin; there’s rarely any change in occupation.

So, what started as occupational, got carried forward by Descendance… and thus “Varnashram” became racism. And even in modern society, we expect a son of a cobbler to become cobbler, not a doctor. And there is absolutely no ‘logic’ behind this mindless thinking.

This is going on for centuries. There are some places, where things are better, but In most places things are worse than ever.

But, in the last scene of Article 15, we see a Police Force led by Ayan (Ayushmaan Khurana) is eating food from a roadside vendor. And when Ayan asks “Amma, Kaun Si Jaat Ke Ho ?” we hear a truck pass by and that muffles the answer of the old woman.

I cried in that precise moment…

Because, ‘Hope’…

I often say, the chaos in my country will increase day by day. Communities will be at each other’s throat. Human Rights will be reduced to mere words. And people will not feel safe walking the streets.

But, still… Movies like Article 15, gives us hope… Gives me hope… Maybe we can make this better, maybe our country can be what we want it to be with our collective effort. Maybe one day we will be known for only the work we do, not our surnames. Not by my descendants, but my own doings.

Hope… and that made me cry… that made me feel helpless… Made me feel like that 4 year old dreamy kid, who only saw the good in this world.

But, we can’t live in the movies, can we ?

Peace…

Neel…    

All Izz Well !!!

“Karo Bakchodi, Mujhe Kya ?”

-Mahatma Gandhi

Relax !!! Don’t pull your guns and sticks !!! I know that the quote is fake. As fake as the Economic Crisis of India.

I mean seriously… What’s the ruckus is all about ? Are you seriously going to believe, that we, the largest democracy (?!!), is facing a financial crisis ? are you high or something ? I know… In social media, there are fake news being spread; but stop worrying people, listen to your government… Even our finance minister says our economy is better than all other countries, even USA and China, so what are you complaining about ? You think you know better than our minister ? Our Government ? You… You Anti-National…. You Urban-Naxal… You.. You Librandu…

Let me tell you a story, say you have a servant, you called him and said “I’m very hungry Today, Please Prepare Something good to eat.” When you reach your house, you realize, the servant cooked nothing, but cleaned the house pretty well… and expects you to praise him for that…

Sounds familiar ? That’s the abolition of section 370 and 35A in Kashmir to You…  

The Emperors of Rome built the Colosseum to host the games of circus, because, violence is human nature, and killing animals and gladiators were  good distractions to create, when people start to realize : they are living under a tyrant rule.

So, that’s what we get… The Conflict of Kashmir between India and Pakistan is our circus, because when it comes to our nationalism, nothing else evokes that more.

But, not to worry, because everything is peachy here. A rape victim and her entire family gets obliterated, and we have politicians talk about how it is now very easy to get Kashmiri Fair Girls, but hey ! Our women’s rights are better than Saudi… Be Proud (!?)…

And nowadays, people have so many unimportant concerns. Whenever I open any social media, I see photos and news of Amazon Rainforest Burning… So ? Why do I care ? It’s just a Jungle ! Maybe a big one; maybe so it supplies 20% of Earth’s total oxygen, But it’s just trees and animals… There’s no point in wasting time in such silly concerns.

When Chennai, Bengaluru and other Southern cities are facing a Water Crisis, did I show any concern ? We again have people spreading fake propaganda; like by 2021 there will be no water in several major cities. Did I fall for that crap ?  I have running water in my home, and I don’t pay a single penny for that.

So, why should I care for a silly Jungle Burning Thousands and Thousands Kilometers away ?

A few weeks ago, our Prime Minister put the Chandryaan – 2 in it’s orbit by his own hands. And you expect me to believe a bunch of scientists did that ? Yes, maybe they did help out. But who put it in it’s place ? and with Modiji doing all the work, I guess the fund cut of ISRO is justified. Why should they get credit and money for Modiji’s work ?

And frankly, these are petty issues. Our economy is booming. We can finally, legally marry Kashmiri Girls and and we are lynching our problems on a daily basis, so what more do you want ?

We have greater concerns. We finally maybe getting the Hindu Rashtra no one has ever asked for. For the last few years, we have misdirected so much pent up anger towards different religions. And we are there. We have the environment of hatred that is needed, we have once again, Hindus and Muslims watching each other in Disgust.

Finally, we will have that Utopia, , One Country, One Religion. Where without any protest, fearlessly, we will demolish a  hundred more Babri Mashjids and Shout “Mandir Wahin Banega” and lynch everyone who refuses to chant “Jai Shree Ram”.

Peace… in Our Time…

Neel…

Happy Birthday !!!

Libberish is Officially Two Years Old Now…

with Closer to 100 Blog Posts, I guess we are in a Matured Territory Now…

Let’s see what future has in Store For Us…

Thank you for all the Support you’ve given me for the last couple of years, I never thought I’d make this far.

As Promised, the Gallery section is Added to the Page, where you’ll be able to take a look at some of my Photographs.

Thanks once again, and hope to see you in the Future…

Wanderlust : Kalinga Calling…

Anga, Banga and Kalinga… in times of Samrat Ashoke of the Maurya Dynasty, Bihar, Bengal and Orissa were known as such, respectively… and the Sea Sides of Orissa has a place to be for Wander-lusters such as myself for who knows how long.

This is my 9th time in Puri… Yes, you’ve heard it right; 9th… As I’ve mentioned before, I don’t like Sea Beaches that much, but there was some other attraction here, which lured me back to Orissa…

Driving…

When a friend of Mine introduced me to the idea of Driving from Kolkata to Puri, I was on board immediately. And after a little deliberation, we decided to take my Swift Dzire and start on 13th.

The Road…

The Plan was Simple. Start from Kolkata, and after a few necessary halts, reach Konark Sun Temple. And after a brief visit to the Temple and Chandrabhaga Beach, we break for the Night in Puri, and on the Next Day, after Sea Bathing and Visiting the Jagannath Temple, we leave for Bhubaneswar, on the way, we visit Dhauligiri (Dhabalgiri) Shanti Stupa, Nandankanan Zoological Park and Udaygiri-Khandagiri Caves. On the last day we visit the Lingaraj Temple and start for home.    

The Traveler…

Being the conditional early-riser, I planned to start on 4 AM on 13th, but my comrades pushed that to the territory of 5:10-5:20 AM. With the morning drizzle the weather was pleasant, but there were chances of heavy rain, always. And we did get quite a heavy rain on our way. We managed to reach Konark by 2.10 PM clocking a whooping 504 Kilometers. The road was nothing sort of delightful.

The Rain…

The Morning Breakfast of Bread and Omelet was digested even before we reached Baleswar. So, we had our lunch in the OTDC, Konark. It was adequate as we opted for Thalis.

After Lunch, we thought we’d hit the Beach first, and then Enter the Sun Temple. So, we went to Chandrabhaga.

I’ve never seen Chandrabhaga Like this… the salty moist wind coming from the sea was so strong, it felt like my mobile will be thrown off from my hand. The Drizzle returned, and we locked our gadgets in the car and enjoyed the breeze and the shower for a little bit. Then we went back to Konark Sun Temple, and I was Disheartened by the sorry state of the Temple. Although restoration is ongoing but, with the exoskeletons and botched up restoration jobs, things are worse than ever.

Restored ?

We reached Puri at around 7:30 PM, and called it a Night.

I think OYO Room ACs hold some kind of grudge against me, as the temperature Controller never seem to work. I went to bed in Puri, but woke up in Shimla in the Morning. And obviously, caught a cold.

Beach – Lapse

But I dragged my reluctant friends in the beach and the saline did clear my noses a little bit. But that came with its share of logistical problems. I was wearing a running trouser, which had a internal netting, and sand went through that net and got stuck inside, making me look like a person suffering from Elephantiasis. The situation was so much worse, I’ve had to cut myself out of the Trouser and discard it.

Puri – Konark Marine Drive…

We left for Dhauli at about 10-10.30 AM. In an hour we reached the Shanti-Stupa and the view was great, but with the hue and cry of a miscellaneous type of tourists, the Shanti was definitely lacking.

Ashoke Stambha – Dhauli

Next stop, Nandankanan Zoological Park.

I was pleasantly surprised by the state of Nandankanan. The Zoo looked very well maintained, and the Animals felt well treated. After an exhausting 3 hours stroll around the park, we had our lunch in OTDC Nandankanan. After that we left for Khandagiri and Udaygiri caves.

Udaygiri Caves…

Again, my disgust for mankind became profound after I saw how the Monkeys of Khandagiri are treated. They are semi domesticated, for the purpose of humans to earn a penny or two. I don’t think Indians quite understand, offering an animal some food is not doing it a favour. It’s the opposite. A wild animal is supposed to hunt, and gather food on its own. But if we keep offering food, they will stop doing that and their natural instincts will die out, and their dependencies to humans will increase and that result tends to be catastrophic. Because if Monkey’s don’t get what they want, they opt for snatching. And that is not going to be OK for anyone… not the travelers, and not the Monkeys.

We were about to call it a day, but a senior of mine living in Bhabaneswar arrived (with my invitation, of course) and we went for a late night food walk/drive… We had Orissa Special Biryani and Chicken Pakoda.

On 15th August, we gave in to our Lethargy and woke up late. Got dressed and went to see the Lingaraj Temple. Although camera/mobiles were not allowed, but believe me, it was magnificent. The structure, the artwork, the sculpture it was all a treat for the eyes. And on the entrance to the temple itself, I found something incredible.

Lingaraj – From Afar…

We all know how the Hindi Imperialism is trying to take over our Country and most of us have a very wrong conception that Hindi is our national language. But, on the entrance of the Lingaraj, I found two wall, where there are inscriptions in different languages of India; I found Old Bengali (the script used in Charjapad), Old Odia, Devanagari, and some Dravid scripts. And it made me realise once again, how, day by day, we are replacing Harmony with chaos. Yes, it was a religious monument, but cultural harmony was never left out. A respect for different cultures and different languages were reflected on those walls.

The Way Back…

Now, it’s time to head home. And after hitting the road, we realized, Orissa Government keeps most of the gas station closed in Independence Day till the Evening. And with fuel indicator reaching reserve, with the help of google maps, a few phone calls and 50-60 KMs of Detour, we found some Diesel to fill the tank.

The way back was pleasant enough, except for a few devil-may-care cows and goats on the road. We reached Kolkata at 9:45 PM while clocking a total of 1178 Kilometers on the Car.

This might be the last Wanderlust for a long time. As, I’m one step away from being a corporate slave. I don’t know when or in which year, I might hit the road again. So, Wanderlust might have to be Wandersaint for a while.

Peace…

Neel…

P.S

Libberish is Now https://www.libberish.net/

As Promised, there is A New Gallery Section Added, and I hope to see you in my next rant.          

অজুহাত…

এ পৃথিবীতে, অজুহাতের থেকে সোজা জিনিস বোধহয় আর কিছু নয়… এই যেমন ধরুন না, আমার ল্যাপটপ খারাপ হয়েছে বলে আমি অজুহাত দিলাম, এই শনিবার ব্লগ লিখতে পারব না…

ভালো লাগছে না, তাই আজ জিম-এ গেলাম না, ভালো লাগছে না তাই ঘরে বসে সারাদিন ঘুমালাম।

আর এরকম নানান অজুহাত দিতে দিতে আমরা ভুলে যাই দায়িত্ব নিতে… দায়িত্ব কাকে বলে… দায়িত্ব নেওয়া মানে যেমন দায়িত্ব পালন, তেমনই নিজের দোষ স্বীকার করাটাও… মানে ইংরেজীতে যাকে বলে-

“Taking Responsibility of your actions…”

এটা তো আজকাল কারোর থেকে আশা করাই বৃথা… আসলে নিজের দোষ স্বীকার করতে যে সাহসটা লাগে, সেটা অধিকাংশ লোকেরই থাকে না… অনেকে মনে করে দোষ স্বীকার করাতে সম্মানহানী হয়ে গেল (দোষ করাতে হল না ); অনেকে কাছে ছোট হয়ে গেলাম; ইত্যাদি ইত্যাদি।

তো, অজুহাত জিনিসটা আজকাল, সবার কাছে চিরন্তন হয়ে গেছে। ধরুন আপনি মদ্যপান করেন। আপনার অ্যালকোহলের স্বাদ ভালো লাগে, বা আপনি ওই টলমল নেশা নেশা ব্যাপারটা পচ্ছন্দ করেন। খুব ভালো… আপনার লীভার, আপনার জীবন, আপনি মদ খাবেন না ফিনাইল, সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু, আপনি লোকের কাছে ‘অজুহাত’ দিচ্ছেন;

-“মদ না খেলে আমার ঘুম আসে না…”

বা

-“মদ না খেলে আমি কবিতা লিখতে পারি না…”

এগুলোর থেকে ফালতু কোনো অজুহাত আর কিছুই হতে পারে না। এবার ধরুন আপনার কোনো ভালো বন্ধু, বা ছোটবেলার বন্ধু, সে আপনাকে বলল,

-“ভাই, মদ্যপান করিস না…”

সে মনে করেছে তার এ কথাটা বলা উচিত সে আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী বলে, আপনি ভাবলেন

-“আমার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হচ্ছে…”

আপনি বন্ধুটির সাথে ঝগড়া জুড়ে দিলেন, তারপর যখন সে বন্ধুটি আপনার ব্যবহারে মনঃক্ষুণ্ণ হয়ে বিদায় নিল, আপনি সকলকে অজুহাত দিলেন

-“আসলে, আমার সাথে সবাই টিকতে পারে না, সবাই তো আর প্রকৃত বন্ধু হয় না…

সেই তো…

আপনি চান সেইসব বন্ধু, যারা আপনার আপাত নীজঃধ্বংসী কাজে আপনাকে সমর্থন করবে… যারা আপনার ভালো মন্দের কথা না ভেবে বলবে,

-“না ভাই, সব ঠিক করছিস… আমি তোকে কোনোদিন ‘জাজ’ করি ?”

আসল কথা হল, আপনার বন্ধু নয়, ‘মোসায়েব’ দরকার। যারা আপনার ইগোতে প্রত্যহ জাপানী তেলে মালিশ করে সেটাকে আইফেল টাওয়ার করে ফেলবে।

আমি আগেও বলেছি, এবং বার বার বলছি, আমাদের বন্ধুত্বের সংজ্ঞা দিন দিন সংজ্ঞাহারা হয়ে ম্যাদামারা হয়ে যাচ্ছে। আমরা বন্ধুত্ব চাই, কিন্তু আমাদের ভুল ধরিয়ে দেবে বা ভালোমন্দের বিচার করে দেবে, সেরকম কাউকে চাই না। হ্যাঁ ভালোমন্দের বিচারটা অবশ্যই আপেক্ষিক, কিন্তু যে আপনার ছোটবেলার বা খুব কাছের বন্ধু, সে যদি আপনার কোনো সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে, তাহলে সেটা নিয়ে একবার না ভেবে দেখে তাকে দূরে সরিয়ে দেওয়াটা কি ঠিক সমীচীন কাজ হচ্ছে ? ভেবে দেখুন…

শান্তির আশায়,

নীল

পুনশ্চ – অজুহাত বড় খারাপ জিনিস… এই যে দেখুন না, আমি ল্যাপটপ খারাপ হওয়ার অজুহাতে এক সপ্তাহ আগে অজুহাত নিয়ে শুরু করা লেখাটা এই সপ্তাহের অজুহাতে কেমন বন্ধুত্বের অজুহাত দেখিয়ে আবার চালিয়ে দিলাম ?

যাই হোক…

১৮ তারিখ লিবারিশের দ্বিতীয় জন্মবার্ষিকী… সে উপলক্ষে কিছু ঘটনা ঘটবে, শিগগিরই জানতে পারবেন…

Crazy, Stupid…

STATUTORY WARNING: If the content feels too much of a cliché, that’s because it is… But, sometimes, but when you think of it; the basic human life is full of some overly dramatic clichés. So, you’ve been warned, you are free to live anytime.

Have you ever seen a girl so beautiful, that the moment you felt like saying:

– “Gawwd !! I’ve got to have sex with that Girl !!!”

I’m serious. A Face of a girl, giving you a boner, it happens, and more times than you know. Some arbitrary statistics say (I forgot the source, google it…) the body part of a woman that most males get attracted to is the face; not ass, and not boobs.

So, you saw a face, pictured her ravaging in bed; and mistook it for love. I’m no expert; but physical attraction is a part of love, but there’s always more to it. Now, let the situation play out; you got sexually aroused by a girl, you proposed to her (I’m not clarifying the type of proposal). And things get on moving. You go to a closed room, get each other undressed and have sex.

Once it done, what do you do? Have your naked, sweaty bodies discovered love? Or you got what you’ve wanted and you move on?

Choices…

If we believe in the illusion of free will, then choices are what defines and builds our very cliched life. Our society, where sex was, and still at some point a taboo, people are becoming more and more sexually liberal and they are defining their relationships that way.

Around 100 years ago, a girl talking to a boy could land her in a complete house arrest. But with time, things changed and we are into things like friends with benefits, and open relationship and whatnot. I do believe sexuality is an integral part of a persons love life or relationship, but there are people who proudly say

– “I’m in it for the sex…”

People have a very different picture of relationships today. And sometimes most of us forget, that there is a companionship in every relationship.

Suppose, you’re living together, (or married) you come back home your partner comes back home, when you ask for sex, your partner claims to have a headache. And these headaches become frequent with time.

Now, what do you conclude?

  1. He/She is having an affair. Confront Him/Her.
  2. He/She lost interest in you. Confront Him/Her.
  3. The ‘Spark’ between you too are gone and it was a mistake.

Have you ever thought that this headache thing, might be a chronic illness that’s growing day by day? Have you ever considered caressing his/her forehead and help him/her go to sleep?

You know why? Because that is harder. It’s very easy to assume things that aren’t there rather than addressing things that are very real.

Like I said, Cliché…

If a face gives you a raging boner, that’s testosterone. That’s not love. We need to be much more responsible when comes to people. When you approach a girl (or a boy) you need to take responsibility. You want to have fun, have meaningless consensual sex, go ahead. It’s your choice. But keep in mind, the moment the word relationship is used, you are signing up for much much more than sex. You are signing up for responsibilities, for sleepless nights of gossip or just holding someone close. For meaningless fights and pointless apologies. You are signing up for wiping each other’s tears. You are signing up for mutual respect, and confronting all the world together, hand in hand.

So, the next time you see a girl SOOO beautiful that you want to have sex with her desperately. Just convince yourself, what do you exactly want. Don’t get naked together and call it a relationship…

Peace…

Neel        

ও দাদা, বুঝতে পারলাম না…

আমি অনেক সময়ই বলে থাকি, আজ থেকে ১০-১২  বছর আগে যখন আন্তর্জালিক যোগাযোগব্যবস্থায় জড়িয়ে আমরা দুবেলা হোঁচট খেতাম না, তখন জীবন অনেক সহজ ছিল। ফেসবুক থেকে ট্যুইটারের রমরমায় সবার আগে যে জিনিসটা আমরা হারিয়েছি, সেটা হল আমাদের সততা, মানে সত্যি কথা বলার সৎ সাহস।

আমরা মানি,  বা না মানি, আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া একটু একটু করে আমাদের পরিচয় বা আইডেনটিটি-এর একটা বড় অংশ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আমি কি পোস্ট করছি, কাকে ফলো করছি, কার কোন পোস্ট-এ কি রিঅ্যাকশন দিচ্ছি, সবই আমার মনোভাব আর পরিচয়ের অঙ্গ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দিনে দিনে। আর শুধু এই কারণেই একটা বিপত্তি ঘটছে।

মান্না দে সেই কয়েক দশক আগে গেয়ে গেছেন…

“যা খুশি ওরা বলে বলুক, ওদের কথায় কি আসে যায় ?”

কিন্তু ব্যাপার হল, অনেক কিছুই আমার যাচ্ছে-আসছে… একটা লাইন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার আগে তাই আমি দশবার ভাবছি – “লোকে কি ভাববে…” কারণ চাই বা না চাই, সোশ্যাল মিডিয়ার চক্করে আমরা অনেক বেশী জাজমেন্টাল হয়ে পড়েছি; দু’জনের ব্যক্তিগত মতামত আলাদা হতেই পারে, আর সেই নিয়ে তর্ক-বিতর্ক করাটাই হিউম্যান নেচার। এখন অনেক তর্কেরই অবসান হতে পারে “লেটস এগ্রি টু ডিসেগ্রি” বলে। কিন্তু  তর্ক-বিতর্ক আজকাল শেষ হয় প্রথমে পারস্পরিক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি আর তারপর ‘ব্লক’-এ এসে।

তাই, এইরকম এঁড়ে তর্ক আর ফালতু জাজমেন্ট এড়ানোর জন্য, আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বর্ণ লেখার আগে দশ বার ভাবি… আর, মিথ্যে লিখি বা বলি…

যেমন ধরুন সিনেমা… পরিচালকরা যতই মনুষ্যোত্তর হোন না কেন, তাঁরা নিজে একা দেখার জন্য একটা সিনেমা নিশ্চয় তৈরী করেন না। আর একজন লোক, যে পয়সা খরচ করে একটা সিনেমা দেখছে, তার নিজের ওপিনয়ন দেওয়ার অধিকার অবশ্যই আছে… আর এখানেই আসে আনপপুলার ওপিনিয়নের কথা। ধরুন একটা সিনেমা, সবাই দেখে এসে ধন্য ধন্য করছে; আমি সেটা দেখে আগাপাস্তালা কিছুই বুঝতে পারলাম না। তাই আমি স্টেটাস দিলাম, “অমুক সিনেমাটার মাথামুন্ডু কিছুই বুঝলাম না…” ব্যস, অমনি এসে জুটবে একদল লোক, যারা প্রমাণ করতে উদ্যত যে আমার জ্ঞানের পরিধি কতটা ছোট। সেখান থেকে পার্সোনাল অ্যাটাক আর অনেক কিছু আগে থেকেই সত্য হিসাবে মনে মনে প্রতিষ্ঠা করে খিস্তিবর্ষন। খুব কম লোক আছেন, যারা কমেন্ট করবেন “কেন দাদা ? কি হল ?” বলে একটা গঠনমূলক আলোচনা/সমালোচনার সাহয্য নেবেন। তাই একটা সিনেমা, যেটা দেখে গত এক-দেড় ঘন্টা আমার ক্রমাগত মাথাব্যাথা করেছে, সেটা দেখে এসে আমায় সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখতে হয় “মাইন্ডব্লোইং !!! অমুকের সেরা সিনেমা…”

দেখুন, লোকে সিনেমা/শিল্প বুঝতে পারে না দু’টো কারণে;

এক, সেটা নিয়ে অনেক কিছু ভাবার বিষয় আছে, অনেক স্তর বা লেয়ার আছে গল্পের, যেটা নিয়ে অনেক ভাবনা চিন্তা করা যায় এবং আলাদা আলাদা উপসংহার-এ পৌছোনো যায়।

আর দুই, তাত মাল-মশলা কিছুই নেই, শুধু ঢপের কেত্তন, আর সেটা নিয়ে ভাবারও কিছু থাকে না পরে, শুধু মর্কেটিং আর সোশ্যাল মিডিয়ার ডামাডোলে ১-২ মাসের জন্য কাল্ট ক্লাসিক হয়ে দাঁড়ায়; তারপরে সেটার দিকে কেউ ভুল করেও ফিরে তাকায় না।

আমি যে সমাজে বাস করছি, শিল্প-সংস্কৃতি সেটার একটা বড় অংশ। তাই আমি অন্তত মনে করি, সেই সমাজবদ্ধ জীব হয়ে খারাপকে খারাপ আর ভালোকে ভালো বলার মৌলিক অধিকার আমার আছে। আমার মতামতের দাম কে দিল, সেটা দেখার কোনো প্রয়োজন বোধ করি না আমি, আমার মতামতের দাম শুধু আমার কাছেই আছে, কারণ আমার মতামতে আমি নিজেকে মিথ্যে বলছি না।

এখন সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে সেলিব্রিটি-দর্শক দূরত্ব অনেক অনেক কমে গেছে; কিন্তু সেলিব্রিটিরা নিজেদের মনুষ্যোত্তর জীব ভাবতে শুরু করেছেন। এখন কেই যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা দেখে দাবী করেন “আপনারা ইন্ডাস্ট্রির কি বোঝেন ?” তার থেকে বাজে যুক্তি আর কিছুই হতে পারে না… দর্শকরা না থাকলে, আপনার কোথায় থাকতেন ?

তাই নিজের অজান্তেই আমরা আমাদের মানসিক অবনমন ঘটিয়েছি। নিজের মনের সততাকে ফেলে দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার জগতের সাথে তাল মেলাতে তৈরী করেছি এক অন্য আমি, যার নিজস্বতা ভুলে গিয়ে সে অনেক কথায় কথা আর তালে তাল মেলাতে পটু। তার এইটুকু সাহস নেই, যে কারোর কথার ধার না ধেরে সে বলতে পারে,

-“ও দাদা, বুঝতে পারলাম না…”   

শান্তির আশায়,

নীল…

You don’t mess around with…

Spoilers… Those Who Haven’t Seen Stranger Thing Season 3, Please Stay Away…
..

..

..

..

..

..

I came across it, accidentally… I had my JECA Exam in three days, and my devices were failing one-by-one; first the mobile Micro SD card, then the Graphics Card of My PC. So, instead of preparing for JECA, I was running in and about the respective service centers.

It was a mess…

But, when I finally got a little bit of time o sit down, and surfing the internet, I came across a TV Series called “Stranger Things”.

I was curious; the name was interesting, yet very straight forward. Then I googled and found out that Stephen King himself has praised the series.

I was intrigued, and reluctantly, I started watching the show, and before I knew it;

I was hooked. In recent times, in multiple occasions, I’ve proved that I am an overgrown man-child. And it didn’t take me long before I became one with Will, Mike, Dustin, Lucas and Eleven.

Yesterday, I binged the third season of Stranger Things.

…and I cried a little…

I maybe the crazy nerd like mike or dustin or lucas, maybe eleven is my favorite character, but yesterday, I cried for Jim Hopper…

You don’t mess around with Jim…

Stranger Things, in surface maybe riddled with ‘Strange’ things, I mean with A Lovecraftian Hive-Minded Monster Lurking In an alternate Dark Dimension ‘Upside Down’ or Eleven’s Telepathic/Telekinetic Abilities, our plate remains, pretty full. But, once you scratch the surface, this is a tale of human emotions. For me, feels like reliving the glory days of my childhood, when I actually had friends. Teenage crushes and heartbreaks, everything.

But, after three seasons, Jim Hopper is probably the one, by whom I got moved the most. And after the credits of the season finale rolled, I realized two things.

First One is easy; in 2019, I got Avengers : Endgame, Game of Thrones ended; Iron Man died, and now, Jim Hopper… Maybe this is a wake up call, reminding me that my childhood is officially over.

Thrice the Charm…

But, the second one is very complicatedly simple… When Hopper’s Speech that he wrote for Mike and Eleven was revealed, I realized, the behavior of each and every possessive parent… What Hopper tried to convey to Eleven was that she maybe Mike’s Girlfriend, but she is also Hopper’s Daughter, and he likes to spend time with her too.

“I Left some Eggos in the Jungle, and you came to my Life…”

As we, the children grow up, and start building our own world around us, we forget to notice that we are already the part of the world of our parents. We spend less time with our parents, we become distant.

Yes, we must have our own world, but we must have the sense of belonging to our parents. Because one fine morning…

I don’t want to think about that… I, we all must and should spend more time with our parents, be a part of their world more. Yes, we may not like everything, because we will always be a child to them, but there smile is still the most precious thing in the world.

Is Hopper Alive ? Maybe… Is he in Kamchatka ? Probably…

But, the truth is, not everyone has the swag to smile in the face of imminent death, and remind us about the crazy stuff that our parents did for us, for our well-being, in one glance…   

Peace…

Neel

P.S. – Sorry for Last Week, I was too worn out to write anything.      

Country Music and A Broken Heart – II

“Maybe it’s a man’s world, but girls make it go ’round
But I wouldn’t give a nickel for my peace of ground if it
Weren’t for my lady standing on it, sweet and proud
Come on, lady, love me now”

“Do You Right Tonight – Eddie Rabbit”

The previous one was a catharsis. I knew that, and so does everyone else. That story ended with the conclusion of the story of Emily and Cecilia. But people usually forget how stories supposed to end. I mean a story starts with a few characters. They have their arcs. But usually people stop thinking about the story, once the arc of the protagonist, (or someone important) ends with the story, people assume the story has ended…

But, there’s always more to it, than meets the eye…

Love is not a complicated thing, rather it’s a complicated ingredient of life. You add it to life; complications are on the way. So, if you want a simple and uncomplicated life, you should never have any provision of love, and that means being alone… Forever…

I’ve always thought people ought to enjoy all the emotions of life… love, hate, pain, joy…

And all these emotions are expected out of relationships…

“Tears and fears and feeling proud,
To say “I love you” right out loud
Dreams and schemes and circus crowds
I’ve looked at life that way”

Mind you, I’m using the broader meaning of the word ‘relationship’ here. Because you do have a relationship with your parents, too. And every relationship needs involvement and work. But I believe the more involvement is needed in the relationships that you choose; Friends… Girlfriend… Boyfriend… Wife… Husband…

After I Broke Up with Emily… I had a falling out with my parents…

“I’ve looked at life from both sides now
From win and lose and still somehow
It’s life’s illusions I recall
I really don’t know life at all”

The day I put my hands on my father, I realized how far I’ve fallen… Maybe it was a long relationship that ultimately failed; but that can’t justify my actions… never…

For a long time, I was in a pathetic state of self-pity… Unable to look at a girl without thinking about my carnal desires.

It’s a lot to take in for the readers, but every boy goes through such a sorry state, whether they like or confess about it or not.

I was going down a slippery slope… I kept nagging Emily with ridiculous and misogynistic demands like “You Owe Me Sex…” and kept asking my college friends out for dates. Thank god it’s gone and I can write blogs about it; else I would have become a full-time misogynist, without a speck of respect for women.

In short, it was dark times and I was a complete mess. It was because my sister and a few friends for whom I was able to pull myself together. When my mental state became somewhat stable, life felt like a Joni Mitchel song…

“I am on a lonely road and
I am traveling, traveling, traveling, traveling
Looking for something, what can it be ?”

In the meantime, I made two indie films. Fell for a co-worker and found out I can fall even low and can be devoid of self -respect entirely. I let her friendzone me and rob me. Yes not metaphorically, but literally. And thank god I came out of that Toxic situation in time.

Yeah… that happened too… Go on, call me whatever you want, I deserve it.

When Baroda O Bohurupi released, I met some new people, whom I thought I could be friends with. I was openly single; still felt I need a relationship and I was clearly advertising it. So, one of these new friends once mentioned about a friend of hers. Let’s call her Jenny as in Cotton Jenny by Gordon Lightfoot.

“There’s a house on a hill
By a worn down weathered old mill
In the valley below where the river winds
There’s no such thing as bad times
And a soft southern flame
Oh Cotton Jenny’s her name…”

So she was a complication, an potential cause of heartache, source of problems… That’s what I thought. Maybe she is a singer, but with orthodox parents, it’s never good, never easy. And that’s an unnecessary complication I don’t need in my life.

I said no thank you and never even wanted to meet. I don’t want to spend my entire life fixing broken things. I said, to myself; never realizing in course of the last year I have become a broken thing that deliberately needed fixing.

But one thing out of this entire conversation got etched into my mind. She’s a singer… and an excellent one at that.

But, I ignored and shoved it away from my mind.

Now, see… Maybe I was not the horny toad I was before; but I was looking, meeting and going after girls like a normal single person would. You want to judge me for that, go on…

And like all other guys, I was going after girls wayyy out of my league, and failing miserably.

Then came Kolkata International Book Fair 2017. And I met Jenny in that Nerd-heaven.

Nothing happened… No butterfly in my stomach, no ‘sparks’… and that’s how it’s supposed to be… I don’t believe in love at first sight.

But a week later, we started talking… About music !!!

For a month, we spoke on Chat…

And on a dark, sleepless February Night; I said…

-“I Love You…”

When I got off my phone, I realized, all those problems and complications I thought to avoid before, just came into my life by my own invitation.

And it did. Within a few week, that friend who introduced me to Jenny, became hell bent on destroying our relationship. It won’t be an exaggeration to say, she went above and beyond.

And, then I realized, Love doesn’t happen per your convenience or terms. It just happens. And when you’re bringing a new person in your life, there will always be complications. And working through those complications is what Love or Relationship is. You’re deciding to relate with someone with whom you have no blood relation, and you expect there will be no consequences ?

It is called being Naïve…

There will always be complications and problems and anger and tears and sleepless nights. But at the end of that, you’ll be smiling holding hands…

Love the girl who holds the world in a paper cup
Drink it up
Love her and she’ll bring you luck
And if you find she helps your mind
Buddy, take her home
Yeah, don’t you live alone
Try to earn what lovers own

So, here I am again… Hopelessly in Love… and Ready to work for it… and I’ve been working for it for the last two and half years. Am I Always happy ? No… But nothing can beat the peace she brings when we are together, laughing and smiling and listening to Country Music together.

Peace…

Neel

P.S. – Sequel ? Not Really… But Conclusion Nonetheless… This one has a different tone than the first one, because that one ended with heartbreak, and this one ended with a very cliched “Happily Ever After Moment…” but this is me, Coming Clean.

This is Jenny’s Blog, It was always her idea. In a way, Libberish is our Love-Child.

FYI, I shamelessly went after two of my Friends in College, and they very politely rejected my perverse offer explaining how important our friendship was. I apologized to them in time, and they forgave me. I hope that ‘me’ never sees the light of day again; I HATE him. I thank them again, for their support, when any sane girl could’ve blocked me and called it a day, they used compassion and empathized with me. I’m forever in your debt.

And to Emily; have a great married life. May your daughter bring loads of Joy and Togetherness in your life…

And to Jenny : I wanted to put a Photo of Us, Smiling… But then I thought; you’re cotton Jenny; not someone identifiable. Just be my Sweet Southern Flame forever. I love you sooo very much…  

A Prose of Melancholy of the Ignorant

All we ever do is dump our mistakes on each other…

-Old Proverb

6 Months… That’s how long it took for me to find out, she’s no more…

6 long, months… for which I assumed, no news means good news. And waited… gathering courage to call her one day.

But people don’t die giving prior notice… They don’t call and say “Hey ! I’m Dying…” No…

You either see them die; or hear from someone… but this time I was sooo ignorant, I stopped trying to find out. ‘Maybe she is ok ! I’ll call her someday’ ‘I’ll go visit her someday’…

I can always dump all the blame on her classmate. And try to avoid thinking about how I passively avoided meeting her.

I’m not afraid of death, or dead bodies. I’ve seen fare share of them in my life. I know how to deal with or comfort someone who has lost a near or dear one; but… how do you confront or comfort someone who might die soon ?

I was unable to answer that question… and maybe that’s why I never had the courage to go and stand in front of her.

I know, me being there would have made no difference. If support and placebo cured leukemia, she never would have died then. I had known her only for a couple of weeks. Probably the toughest couple of weeks of my life. I had to leave the only thing I was passionate about, due to bad grades, and my motherly elder sister was in a different country.

She reminded me of her. That’s the first compliment I ever gave her, once I got to know her…

“Your hair looks exactly like my sister’s…”

Remembering Ushasree…

And she was, a mature young lady with bright lovely eyes and long curly hair. After all those radiations, she may have had lost that beautiful hair, but even looming death was not able to snatch that smile from her. I met her once after that workshop.

In a narrow lane of North Kolkata, we sat down beside the road and talked about my break-up… Yes, I am that selfish. That day, she said that I’m going to make an amazing husband to someone someday…

Apart from my parents and my sister, that was the nicest thing someone ever said to me…

That was the day we last met.

We spoke on phone… That was all the courage I could muster after she was diagnosed. We talked about meeting once she was better.

And today, all that remains of that beautiful soul are those memories.
I feel pissed off; I feel sad because I never got to meet her at least once… Look at her smiling face once again…

Goodbyes are never ‘Good’… But you’ve got to say them anyway… And my ignorance robbed me off of that chance…

Farewell, my friend…   

Neel…

তুলসীপাতা…

বহুকাল আগে, মানে যখন ওই যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে শ্লীলতাহানী, সেই উপলক্ষে ধর্ণা, সেই উপলক্ষে ছাত্র পেটানো ইত্যাদি ঘটনা ঘটেছিল, সেইসময় আনন্দবাজারের সম্পাদকীয়তে একটা শিরোনাম বেরিয়েছিল ‘তালোত্তমা’। মানে তিল কে তাল করা যার স্বভাব, তিনিই তালত্তমা। এখন বর্তমান পরিস্থিতিতে, আশাকরি তিলোত্তমার তালোত্তমার পরিচয় নতুন করে দিতে হবে না। যাই হোক। তিল কে তাল করে করে তিনি এখন এমনই অবস্থায় পৌছে গেছেন, যে’টা তার পোঁদ (পোমোদ) পোধান ফেজ মনে করা যায়।

“আমি হাঁক মাল্লেই গোটা এলাকায় কার্ফ্যু লেগে যায়…”

লাইনটা মনে পড়ছে ? তা তিনিও এখন সেই পর্যায়ে; গাড়ি থেকে নেমে চেঁচাচ্ছেন “আয় শালা ক্রিমিন্যাল…” ঘটনা ঘটল নীল রতন সরকারে, আর উনি এস এস কে এম এ গিয়ে বললেন “চার ঘন্টার মধ্যে কাজ শুরু না করলে…”

যেদিন রাতে ঘটনা ঘটল, উনি তার পরের দিন ভাঙা বিদ্যাসাগর জোড়া লাগিয়ে তার পরের দিন এলেন নাটক করতে… নাটক করতে না, মোদ্দা কথা হল, একদল গুন্ডা নিয়ে এসে বললেন, কাজ শুরু না করলে আবার পেটানো হবে। আর মিডিয়ার কথা তো ছেড়েই দিলাম; তারা পারলে প্রমাণ করে ছাড়ে যে ডাক্তাররা নিজেরা মারামারি করে বিক্ষোভ করছে।

আমি ডাক্তারদের এই কর্মবিরতি সর্বান্তকরণে সমর্থন করি। সরকারি হাসপাতালে সামান্য পরিকাঠামোয়, সামান্য মাইনেতে চিকিৎসা করবেন, আবার পেশেন্টের “বাড়ির লোক”(?)-এর কাছে ঠ্যাঙ্গানিও খাবে, এত চাপ তো নেওয়া যায় না মশাই। এবারে একটা কথাই অনেকে দাবী করছেন। ‘বাকি পেশেন্টরা কি দোষ করেছে ?’ আমি তার উত্তরে বলতেই পারি, যার খুলি ভাঙল, সে কি দোষ করেছিল ? এছাড়া, আর একটা বক্তব্য শোনা যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ‘ডাক্তার মানেই কি ভগবান ?’ ‘কত ডাক্তার মরা রোগীর চিকিৎসা করে টাকা কামায়…’

এ সেই ‘তুই জল ঘোলাস নি, তোর বাবা ঘুলিয়েছিল তত্ত্ব…’

আসলে সেটাও কিন্তু ভাবার বিষয়; সমাজের যেকোনো জীবিকার কথা যদি ধরে, দূর্নীতি সব জায়গাতেই আছে… ঘুষখোর পুলিস আছে, নেতা আছে, অসৎ ডাক্তার আছে, এমনকি যেটা শুনলে লোকে দেশদ্রোহী বলে পেটাতে আসবে, মানে, অসৎ অর্থলোভী আর্মি অফিসার ও আছে। ডাক্তারি ম্যালপ্র্যাকটিশের উদাহরন আছে ভুরি ভুরি। কেউই ধোয়া তুলসিপাতা নয়…

From Kunal Kamra’s Page…

কিন্তু, এবার প্রশ্ন করুন, এখানে কি ম্যালপ্র্যাকটিশ ঘটেছে ? সরকারি হাসপাতালে জেনেরিক ওষুধ, নামমাত্র বা বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য ভীড় অনেক, পরিচ্ছন্নতার বড়ই অভাব, কিন্তু তার সাথে পরিকাঠামোরও ততটাই অভাব। তারমধ্যে ডাক্তাররা হাজার হাজার রুগী সামলাতে ব্যস্ত, সেখানে একজন ৮৫ বছরের বৃদ্ধের হার্ট অ্যাটাকের পর, চিকিৎসা করার পড়েও যদি তিনি না বাঁচেন, আর তাতে বাড়ির লোকেরা ‘রাগ’ করে শ’য়ে শ’য়ে লোক এনে যদি ডাক্তার ঠ্যাঙ্গায়, আর তারপর শুধু নিজের কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার দাবীতে ডাক্তাররা কর্মবিরতি (এমার্জেন্সি আর পেডিয়াট্রিক বিভাগ ছাড়া) ঘোষণা করলে, তারা পিশাচ হয়ে যাবেন, তাইতো ?

কাল থেকে আর একটা সুন্দর যুক্তি শুনছি; ‘ইস্তফা দিল তো কি হল ? চেম্বার কি বন্ধ হবে ?’ ওমুক ডাক্তার ৫০০ টাকা ১০০০ টাকা ফিজ নেয়, এটা কি ঠিক ?

এইসব ঢঙ্গের কথা বন্ধ করুন, দিনরাত এক করে যাঁরা এন ই ই টি, তারপর এম বি বি এস পাশ করেছেন খেটে, নিজের শারীরিক মানসিক অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে, সে যোগ্যতা আপনার নেই, আমার তো নেই-ই। তারপর কি করবেন ? বিনা পয়সায় চিকিৎসা করবেন ? আর আপনি ‘বখাটে’ ছেলে হয়ে তার সামনে দিয়ে গাড়ি হাঁকাবেন ? চ্যাংড়ামো হচ্ছে ?

ওনার যোগ্যতা আছে, উনি ডাক্তার; তাই উনি ওনার বিদ্যা ভাঙিয়ে খাবেন। (এবার অতি লোভে তাঁতির কি হবে, সেটা পরের কথা…) আপনার আমার যোগ্যতা নেই, আমরা চপ বেচব। আমাদের তাঁদের সমালোচনা করারও যোগ্যতা নেই।

আমার ঠাকুর্দা ডাক্তার ছিলেন, আর জি করের, এখনো সিনিয়র ডাক্তারদের কাছে ডক্টর কমল কৃষ্ণ সিংহরায়ের নাম করলে চিনতে পারবেন। আমার বাবা সবসময় বলেন ‘ডাক্তারির মত নোবেল প্রফেশন আর হয় না’। কিন্তু যাঁরা সরকারি হাসপাতালে আছেন, তাঁরা যদি সামান্য নিরপত্তাটুকু না পান, তাহলেও তাঁদের কাজ করে যেতে হবে, তাই তো ? হাসপাতালটা কুস্তির আখড়া করে তুলতে হবে, তাই তো ? আবার ভাবুন। কতগুলো বাজারি লম্পট নিউজ চ্যানেলের কথা ছেড়ে, নিজে পরিস্থিতিটা বোঝার চেষ্টা করুন। মুখ্যমন্ত্রী গলায় স্ট্রেথো নিয়ে আবার বড় নাটক করবেন কিনা, সেটা পড়ের ব্যাপার। কিন্তু আজ প্রায় গোটা দেশে যে স্বাস্থক্ষেত্রে যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, তার দায় অনায়াসে তালোত্তমার ঘাড়ে ফেলা যায়। এবার তাঁকে বোঝানো দরকার, হাসপাতালগুলো সরকারী, তাঁর দলের তেজারতি কারবার না, আর ডাক্তাররা তার কেনা গোলাম না…

শান্তির আশায়…

নীল…